× Banner
সর্বশেষ
পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ বিশ্ব রেঞ্জার দিবস ২০২৬: ইতিহাস, প্রতিপাদ্য, গুরুত্ব ও রেঞ্জারদের অবদান আজ ৩১ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় ৩১ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী যাত্রীসহ স্টেশনে ট্রেন রেখে চালক উধাও, ফিরলেন ১ ঘণ্টা পর

ভাইয়ের মৃতদেহের সঙ্গে ছয় দিন

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগরের বেশোহাটায় সৎকার না করে ছয় দিন ধরে প্রবীর পাল (৬৭) নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ আগলে রেখেছিলেন তার ছোট ভাই প্রদীপ পাল। শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সন্দেহ হলে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ওই বাড়ির দোতলা ঘরের খাট থেকে প্রবীর পালের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

প্রদীপ পাল বলেন, ‘গত রোববার রাতে ভাই বাথরুমে পড়ে যায়। আমি ওকে খাটে এনে শুইয়ে দিই। ওখানেই মারা যায়। ভাই বলেছিল, মরে গেলে ওর দেহ সৎকার না করতে। ভাই আবার বেঁচে উঠতে পারে মনে করে তার দেহ বাড়িতেই রেখে দিয়েছিলাম। তবে, স্বজনরা জানিয়েছেন, প্রদীপ পালের মধ্যে ইদানীং মানসিক ভারসাম্যের অভাব দেখা যাচ্ছিল। তদন্তকারীরাও মনে করেন, প্রদীপ পালের কথাবার্তার মধ্যে অসংলগ্নতা রয়েছে। তিনি স্বাভাবিক নন। প্রদীপ পালের দাবি, গত রোববার রাতে তার ভাই মারা যান। কিন্তু প্রবীর পাল বাথরুমে পড়ে গিয়ে থাকলেও তিনি চিকিৎসককে ডাকেননি কেন?

এই প্রশ্নের উত্তরে প্রদীপ পালের জবাব, ‘যখন মরেই গিয়েছে, তখন কেন চিকিৎসক ডাকব? প্রদীপ পালেরা চার ভাই। বড় ভাই প্রতাপ বছর খানেক আগে মারা যান। সেজো ভাই কর্মসূত্রে অন্যত্র থাকেন। ছোট ভাই প্রবীরকে নিয়ে মেজো ভাই প্রদীপ পাল ওই বাড়িতে থাকতেন। প্রবীর পাল থাকতেন দোতলায়। প্রদীপ পাল থাকেন নিচতলায়। দুজনেই অবিবাহিত। বাড়ির নিচেই প্রদীপ পালের একটি হার্ডওয়্যারের দোকান রয়েছে।

জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মাঝামাঝি কলকাতার ৩ নম্বর রবিনসন স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাট থেকে একটি নরকঙ্কাল এবং দুটি কুকুরের কঙ্কাল উদ্ধার করেছিল পুলিশ। পরে জানা যায়, নরকঙ্কালটি ওই বাড়ির বাসিন্দা পার্থ দের বোন দেবযানীর। কুকুর দুটি ছিল তার পোষ্য। দেবযানীর মৃত্যুর পরেও কাউকে কিছু না জানিয়ে পার্থ দেহ আগলে রেখে দিয়েছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..