× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়া ও এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ ভোট বর্জন ইসলামী আন্দোলনের

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৩০ জুলাই, ২০১৮

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট থেকে সরে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব।  ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়া ও এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে সোমবার ভোটের সোয়া তিন ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এ ঘোষণা দিলেন।  হাতপাখা প্রতীকের এই প্রার্থী জানান, এখানে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। পুলিশ ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিচ্ছে। এই পরিবেশে ভোটে থাকার কোনো মানে হয় না। এর আগে সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয় নগরীতে, চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

এদিকে সকালে বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার অভিযোগ করেন, নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হচ্ছে। বিএনপির মেয়রপ্রার্থী বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আমার ৫০ জন পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে পুলিশ। যেখানে পুলিশের আমার এজেন্টদের সুরক্ষা দেয়ার কথা সেখানেই তারাই বের করে দিচ্ছে।

বরিশালে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। নগরীতে ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে বিরামহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম পদ্ধতিতে। বিসিসি নির্বাচনে ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ৬২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১১টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা।

অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন এবং আনসার মিলিয়ে ১৪ জন সশস্ত্রসহ মোট ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্রে ১২ জন সশস্ত্র পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারসহ মোট ২২ জন সদস্য দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন ছাড়ও পুলিশের একাধিক দলকে টহল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রিজার্ভ এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..