× Banner
সর্বশেষ
বিরোধীদের সমালোচনার মাঝেও মোদীর পাশে NDA শরিকরা, প্রশংসায় পবন কল্যাণ ও নাইডু এমবিউমোর জোড়া গোলে স্ন্যাপড্রাগন কাপ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ইন্টারের কাছে ট্রফি হারাল সিটি যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, ৩ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত আজ ২ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২ আগস্ট (১৬ শ্রাবণ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী

বাড়ছে ব্যাংকের বিনিয়োগ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৫

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে।

গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক ও কোম্পানি বরাবর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে তফসিলি ব্যাংকগুলোর দ্বারা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে প্রদত্ত মূলধনের বিপরীতে ধারণকৃত ইকুইটি শেয়ার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হিসাবায়নের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে না।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুঁজিবাজারে তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিনিয়োগ সংক্রান্ত ঝুঁকি ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইতিমধ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

পুঁজিবাজার ও মুদ্রাবাজারের সার্বিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে ওই নির্দেশনাগুলোর যথাযথ পরিপালন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ থেকে নিজস্ব ভিত্তিতে এবং ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ হতে  নিজস্ব ও সাবসিডিয়ারি উভয় ভিত্তিতে মনিটরিং অব্যাহত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সার্বিক অর্থনীতির বিকাশের স্বার্থে একটি গতিশীল পুঁজিবাজার সৃষ্টিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন নীতিগত সমর্থন প্রদানও অব্যাহত রয়েছে। তফসিলি ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজার বিনিয়োগের সর্বশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় আইনগত বাধ্যবাধকতা পরিপালনার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত সমর্থন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রতিটি ব্যাংক তার রেগুলেটরি মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। বিনিয়োগের পরিমাণ গণনায় ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের (ব্রোকার হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) মূলধনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও বিদ্যমান আইন অনুসারে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এদের প্রতিটির রয়েছে আলাদা পর্ষদ। বিনিয়োগ, মুনাফা ও ঝুঁকি- সবই নিজস্ব।

২০১৩ সালে কোম্পানি আইনকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা দেখা দেয় পুঁজিবাজারে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা শেষে দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..