× Banner
সর্বশেষ
কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয়

পিতার মৃত্যুর ৪র্থ দিনে বস্ত্রদান দ্যা নিউজ এর সম্পাদক প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরীর 

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
গনেশ চৌধুরী

পিতা গণেশ চৌধুরীর মৃত্যুর চতুর্থ দিনে বস্ত্র দান করলেন দ্যা নিউজ এর সম্পাদক ও প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরী।

আজ ০৮ অক্টোবর মঙ্গলবার পিতার দেহাবশানের চতুর্থ দিনে নিজস্ব পৈত্রিক বাসভবন বরিশাল জেলার আগইলঝাড়া থানাধীন পশ্চিম গোয়াইল এর ”আনন্দলোকে” এ বস্ত্র দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন প্রমিথিয়াস চৌধুরী। ০৫ অক্টোবর সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে দেহ রেখেছেন তার পিতা।

প্রমিথিয়াস চৌধুরী বলেন, জীবের শ্রেষ্ঠ জীবন মানব জনম। এই মানব জনমের সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ন সংস্কার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। আমার পিতৃ দেবের সেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া যারা স্বশরীরে উপস্থিত থেকে সম্পন্ন করে আমাকে কৃতার্থ করেছে তাদের কাছে আমি ঋণী। সামান্য অন্ন বস্ত্র দান করে আনন্দ পেতে চাই। আcloth distributionমার পিতা একজন সাত্বিক বৈষ্ণব ছিলেন। আমি জ্ঞান হওয়া থেকে দেখছি তিনি নিজে কখনো অন্যায় করেন না, আমাকেও কোনদিন সেই শিক্ষা দেননি। আমি দেড় বছর বয়সে মাকে হারিয়েছি। মায়ের ভালোবাসা, স্নেহ কি সেটা আমি জানিনা। আমার বাবাই আমার মা তিনিই আমার বাবা। তার এই শেষকৃত্বে যেন সকলের আশীর্বাদ পাই।

উল্লেখ্য, ০৫ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দ্যা নিউজ এর সম্পাদক প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরীর পিতা গণেশ চৌধুরী একটু অসুস্থতা বোধ করেন। উপসর্গ দেখে বোঝা গেলো ব্লাড প্রেসার বেড়েছে। মাথায় জল দিয়ে জল খাইয়ে এ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। ৩০ মিনিট ধরে পুত্রের সেবা পেতে পেতে কিছুটা শান্ত তিনি। ৫ মিনিট পরে তার কোন সাড়া না পেলে ডাকাডাকি করলে দেখা গেলো তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এ্যাম্বুলেন্স বাড়িতে পৌঁছানোর সময়টুকুও দেননি। এই শোক সন্তপ্ত পরিবারকে সবাই সান্ত্বনা দিচ্ছেন এই বলে যে, বাবার শেষ সময়ে পুত্র কাছে থেকে সেবা করতে পেরেছে। তার হাতে জল খেয়ে ও সেবা পেয়ে পিতা পরম আনন্দে পরলোক গমন করেছেন এর থেকে ভালো খবর আর কি হতে পারে।  মৃত্যুকালে গণেশ চৌধুরীর বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..