× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

নির্যাতিত অম্বিকা সাধু ও তার পরিবার

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৬

লক্ষণ চন্দ্র বর্মণ, রংপুরঃ  রংপুর মিঠাপুকুর উপজেলার ১৫নং বড়হযরতপুর  ইউনিয়নের হাসনের পাড়া পল্লী গ্রামের শ্রী অম্বিকা চন্দ্র বর্মন সাধু (৭৩) তার নিজস্ব প্রায় ১০০ শতক  জমিতে নিয়মিত মাছ চাষ পরিবার পরিজন নিয়ে সাধু ভাবনা চিন্তার মাঝে থেকে সংসার নির্বাহ করে।

প্রতিবেশী নানকর রসুলপুর গ্রামের নুর আমিন এর পুকুর এক সঙ্গে হওয়ায় নুর আমিন ও তার পরিবার প্রায় সময় কৌশলে পুকুর পাড়ের বানা কিংবা জাল সরাইয়া দেয় এবং সাধুর পুকুরের সব মাছ হাতিয়ে নেয়।

এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, বিষয়টি প্রায় সময় ঘটে থাকে কিন্তু সাধু লজ্জ্বায় কাউকে বলেন না। পূর্বের ন্যায় এবারেও ২৭ নভেম্বর রাত্রী অনুমান ১.৩০মিঃ নুর আমিন তার দলবল সহ কৌশলে বানা/জাল সরিয়ে সাধুর পুকুরের মাছ তার পুকুরে নিয়ে যায় ।

এ ঘটনার জের ধরে সাধুর ছেলে প্রদীপ বিচার চাইতে গেলে ও প্রতিবাদ করতে চাইলে নুর আমির ও তার দলবল প্রদীপকে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে আহত করে। আহত প্রদীপ মিঠাপুকুর সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন (চিকিৎসাপত্র নং-৩৮৩৩/০৩)।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানায়  ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ ইং তারিখ অম্বিকা সাধু লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা জনাব রিপন কুমার  জানান যে, প্রাথমিক অবস্থায় বাদী/বিবাদীগণকে নোটিশ করা হয় কিন্তু অভিযোগকারীগণ উপস্থিত হলেও অভিযুক্তরা থানায় উপস্থিত হয়নি।

এদিকে অম্বিকা সাধু ও তার পরিবার জানান যে, তার পুকুরে প্রায় ১,২০,০০০/- (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকার মাছ ছিলো। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, অম্বিকা সাধু ও তার পরিবার এখন ভয়ে বাজার করতে পারছেন না।

অত্র এলাকার হিন্দু নেতৃবৃন্দ বলেন যে, উল্লেখিত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে উপর্যুক্ত মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..