× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

নষ্ট মরদ

Ovi Pandey
হালনাগাদ: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

মোঃ মাসুদুর রহমান শেখ বেনাপোলঃ
           —-নষ্ট মরদ—-
               বকুল হক
আমি হামার মরদকে কতবার বুলেছি চন্দ্র বৈষ্ণবীর ঘরত্ কামলা না খাইটতে বটে।
হামার মরদ যাবেকলাই, উ তো উহার
দুয়ারত যায় নাই বটে।
উহার গতরভরা রুপ, মদমত্ততা শরীলের ভাজে ভাজে
লেশা চক্ষু দুইডা যেন্ হাজার মরদকে ডাক পাড়ে।
এক হপ্তা হইন্চে কুনোখানে মরদটার কাম মিলেনাই কো
হাইনসেলে উনান চড়ে নাই,  ক্ষিদার কষ্টে শরীলে বল নাই, হামার মরদটার মান্জা উঠিবার চাহেনা।
আর সহিতে না পাইরে মরদটাকে কনু,” যা না কেনে
বৈষ্ণবীর বাটিতে কামলা দিবার লাইগ্যে ছুমন পাঠাইন্চে, উহার কামলা দিয়া চাউল, ডাউল, সওদা
করি আনিবিক, রাতের কালে রাইন্দা পেটটা ভরি
খাবু বটে, তুহার মান্জায় ঝড় উঠবেক, তুহার চক্ষুর
নিচে কষ্টের কালো দাগ মুকে কষ্ট দেয় বটে।
কালু মরদ কাক ভোরে ছুটে যায় চন্দ্রার বাড়িতে।
ডাক পাড়ে, বৈষ্ণবী?  হারে ও চন্দর দিদি?
বাহির পানে আসতো বটে।
কে গো? বাহিরপানে ডাকিন্চে হামাক, ও কালু?  তু?
তুহাকে মু কুতদিন ছুমন পাঠানু কামলা দিবার লাগি
তু তো আসনু না তুহাক টাংকা দিতাম না কি রে?
আচ্ছা  ছাড়ি দাওতো চন্দ্’রদি, পানি ভাত থাকলে
মুকে দাও চারডা খায়া কামে লাইগা পড়ি।
হা, রে, খায়া লে তারপর এই এই কামগুলান সারি
ফালা। একুন থাইক্যা সাঁঝতক কাম করতে হবেক বটে।
কাজ শেষে বৈষ্ণবী কালুকে বলে, যা এখুন কুয়া পাড়ে
যায়া নাহায় আয় চারডা খায়া লে।
কালু ছেড়াফাটা গামছাডা পরে পাতকুয়া থেকে
বালতিতে পানি ভরে আর মাথায় ঢালে।
দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে চন্দ্রা কালুর উদোম শরীরে
ছেড়া গামছার গলিপথের নেশা অপলক দৃষ্টিতে
খুজতে থাকে অকল্পিত সমাজ শাসিত কাঁটা বিদ্ধ স্বপ্ন।
স্নান সেরে চন্দ্রার ঘরে যাবার আগেই দেখে দোচালা
ঘরের হেতনেই বিছানা বিছিয়ে খাবার প্রস্তুত।
খাওয়া শেষে চন্দ্রা কালুকে বলে” কাল বিহানেতো
আবার আসতে হবে বটে আজ ইখানে থাকি যা না ক্যানে”।
নাগো চন্দ্রাদি মুকে সওদা লিয়ে ঘরত ফিরতে হবেক
একটু বিশ্রাম লিয়ে চলি যাবো বটে।
সারাদিনের পরিশ্রমের ক্লান্তিতে কখন জানি চোখে
নেমে আসে ঘুম। চন্দ্রা অপলক চেয়ে দেখে কালুর
লোমশ সুঠাম দেহ, বাতি নিভিয়ে নিরবে শুযে পড়ে।
স্বপ্নের ঘোরে কালু বৌকে টেনে নেয় কাছে, কতদিন
বউটাকে আদর করেনি সে। ভোরের আলোয় ঘুম
ভেঙে শিহরিত হয় কাঁপতে থাকে কালুর দেহ।
সকাল না হতে ছুটে আসে কালুর বৌ।
বৈষ্ণবী  হাঁক ছেড়ে বলে, ” কি গো কালুর মাগী
রাইতে তুহার ঘুম আসে লাই কি রে?
তোর মরদটা তো খায়াদায়া কামের ক্লান্তিতে
ঘুমায়া গেনু, কাল বিহানে আবার আসতে হবে
বুলে হামি উহাকে আর ডাকি লাই বটে।
কালুর বৌ ছুটে এসে কালুর হাত ধরে টানতে টানতে
নিয়ে যায়, পা দুটি ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে,
” হামি তুহার কাছে আর খাইতে চাইবো লা বটে”।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..