× Banner
সর্বশেষ
লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠান বয়কট করে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করলেন এনসিপি নেতারা প্রতি উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে – তথ্য প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য – প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ মেয়ে থেকে ছেলে হয়েছে কেয়া আক্তার, বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল – সংস্কৃতিমন্ত্রী ডাসারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, এটা হবে না – জামায়াত আমির বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ৩১০ বোতল ভারতীয় উইনিক্স সিরাপ উদ্ধার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার -তথ্যমন্ত্রী

নতুন ব্যাংক আসা বন্ধ করার কারণ নেই -গভর্ণর

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  নতুন ব্যাংক আসা বন্ধ করার কারণ নেই। তবে আমি এটা বলছি না যে, নতুন ব্যাংক আমরা হঠাৎ করে ইউটার্ন করে নিচ্ছি। তা মোটেও নয়। আমরা সেটা অবশ্যই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবো। জানালেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।

গভর্নর বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যদি আমরা দেখি বা বোর্ড যদি মনে করে সেটা হবে না, তবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এটা কোনোভাবে রোধ করা যায় না।

ফজলে কবির বলেন, চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকের অবস্থা খুব ভালো যাচ্ছে না। দুই একটা ব্যাংকের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটছে। অনেক সময় মার্জারের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু করার নেই।

গত বছরের শেষ দিকে ব্যাংক খাতে চরম অস্থিরতা দেখা যায়। শুরুটা ইসলামী ব্যাংক দিয়েই। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ সভায় পরিবর্তন আনা হয়। তারপর আর থামেনি। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, ফারমার্স ব্যাংকের মালিকানা নিয়ে অস্থিরতা লেগেই ছিল। বিশেষ আলোচনা ছিল রাজনৈতিক বিবেচনায় আসা ৯ ব্যাংক।  আলোচনায় বাদ যায়নি ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধন, মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ আর বেসিক ব্যাংকের কেলেঙ্কারি।

এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতিবিদরা দুর্দশাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে এক করে দেয়ার পরামর্শ দেন।

গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ব্যাংকগুলোর মার্জারের বিষয়টি তাদের অপশন। এক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন অর্থাৎ দেশের বিদ্যমান আইনে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কিছু করার নেই। বা সরকার থেকে করার কিছু নেই।

তিনি বলেন, কোন ব্যাংকের সঙ্গে কোন ব্যাংক মার্জ হবে সে সিদ্ধান্ত তারাই নেবে। তারা চাইবে মার্জিং এর জন্য। এখনো এটার ক্ষেত্রে অন্য কোনো আইন নেই।

কিছু কিছু ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। মূলধনের অপর্যাপ্ততা হয়েছে। কিছু বোর্ড বা মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে। এ ধরনের খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে গভর্নর বলেন, মালিকানা পরিবর্তন তো হতেই পারে। এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বিজনেসের স্বাভাবিক নিয়ম। একজন মালিক তার শেয়ার অন্যজনের কাছে বিক্রি করতেই পারে।

সোমবার দুপুর আড়াইটায় বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।

নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে জুন পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ ও সরকারি খাতে কমিয়ে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ করা হয়েছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণার পর গভর্নর এসময় সাংবাদিকদের নানা বিষয়ে তথ্য দেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..