× Banner
সর্বশেষ
২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও

ডেস্ক

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে চারটি জাহাজ

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
দেশে পৌঁছেছে চারটি জাহাজ

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে আমদানি কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার। ডিজেল, এলএনজি ও এলপিজি বহনকারী আরও চারটি জাহাজ ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে বা বন্দরের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়েছে চীনের পতাকাবাহী ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ জাহাজ। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া থেকে ডিজেলবাহী আরেকটি জাহাজ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যা শুক্রবার রাতেই বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম জানান, জাহাজটি গত ২৯ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে বন্দরের জলসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

এদিকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী আরও দুটি জাহাজও চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার (৪ এপ্রিল) নাগাদ জাহাজ দুটি বন্দরে নোঙর করবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর এটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো ডিজেলবাহী নবম জাহাজ। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিকল্প উৎস—যেমন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ—থেকে আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

প্রেক্ষাপট

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করায় বাংলাদেশ বিকল্প বাজার থেকে জ্বালানি সংগ্রহে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং শিল্প উৎপাদন সচল রাখার লক্ষ্য রয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..