× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

পিআইডি

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের পূর্বে রক্তপরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা জরুরি -বাণিজ্য উপদেষ্টা  

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
রক্তপরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের পূর্বে রক্তপরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। এক্ষেত্রে বিবাহ নিবন্ধনকারী কাজী, ধর্মীয় নেতা ও স্কুলের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণসহ জনমত সৃষ্টিতে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা।                                                     

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আজ আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সচেতনতা ও পর্যাপ্ত স্ক্রিনিংয়ের দ্বারা থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে আক্রান্তের হার কমিয়ে আনা যেতে পারে। থ্যালাসেমিয়া বাহক হলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। দু’জন বাহক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এটি প্রতিরোধে তাই ব্যক্তিপর্যায়ের জনসচেতনতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

তাছাড়া, রোগের ব্যয় নির্বাহে প্রায় দুই হাজার থেকে দশ হাজার কোটি টাকার পারিবারিক বা রাষ্ট্রীয় খরচের দায় তৈরি হয়। এই দায় থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাইকে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের অবস্থা জানার আহবান জানান তিনি। এসময় উপদেষ্টা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. একেএম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. সেলিমুজ্জামান, ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. মো. মনির হোসেন এবং জেনফার বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার ডা. আরেফিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. মো. মাহবুবুল হক।

১৯৯৪ সাল থেকে থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এ রোগের চিকিৎসা শুরু হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘থ্যালাসেমিয়ার জন্য সামাজিক ঐক্য গড়ি, রোগীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করি’।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..