× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

পিরোজপুরে অধ্যক্ষ দীপ্তেন মজুমদারের শিব মন্দিরসহ ২১ শতাংশ জায়গা জোড় করে দখল

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০

সম্ভ্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ২০০ বছরের পুরনো শিব মন্দিরের জায়গা (১০ শতাংশ) ও পারিবারিক ১১ শতাংশ জায়গা দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জোরপূর্বক দখল করেছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যু।

পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানার অন্তর্গত দিঘিরজান গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নাজিরপুর উপজেলার সহ-সভাপতি ও শহীদ জননী কলেজের প্রিন্সিপাল শ্রী দীপ্তেন মজুমদার আক্ষেপের সুরে বলেন, তাদের ২০০ বছরের পুরনো শিব মন্দিরের ১০ শতাংশ ও ব্যক্তিমালিকানাধীন ১১ শতাংশ জায়গা কাঁটা তার ও বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছিল। উল্লেখ্য, সরকারি খতিয়ানে ওই জায়গা ও মন্দির তাদের নামেই রেকর্ড করা।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৮ টার দিকে মোঃ কামরুল শেখের (কাবুল) নেতৃত্বে মোঃ শাহজাহান শেখ (তহসিলদার) ও মোঃ হেদায়েত শেখসহ কয়েকশো নাম না জানা লাঠিয়াল বাহিনী একত্রিত হয়ে কাঁটাতার ও বাঁশের বেড়া ভেঙে দিয়ে জায়গা দখল করে নেয়।

এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দীপ্তেন মজুমদার বাধা দেয় এবং বলেন জায়গা আমাদের নামে দলিল ও রেকর্ড করা। তিনি আরো বলেন, জমির মালিকানা যদি আপনাদের হয়ে থাকে তাহলে আপনাদের বৈধ কাগজপত্র দেখান এবং সরকার বা প্রশাসনের তরফ থেকে আপনাদের জায়গা বুঝিয়ে দিক। কিন্তু তার কোন কথায় কর্ণপাত না করে পেশী শক্তি প্রয়োগ করে সমস্ত কাঁটাতারের বেড়া ভেঙে দেয় এবং হুমকি-ধামকি দেয়। পরিবারের মহিলা সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, কেউ এদের অমানবিক অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। হোক সে ধনী কিংবা গরিব, ক্ষমতাবান কিংবা ক্ষমতাহীন। দিনশেষে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এভাবে আর কতদিন চলবে?


এ ক্যটাগরির আরো খবর..