× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস : সরকারি ছুটি, দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, স্মরণ ও নানা কর্মসূচি আজ বুধবার (৫ আগস্ট) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ৫ আগস্ট বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার দেশে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের আড়াই লাখেরও বেশি ব্যক্তি পাবেন মাসিক সম্মানি যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল – পার্থ

জাপান ১০ লাখ লোক হারিয়েছে

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপান পাঁচ বছরে ১০ লাখ লোক হারিয়েছে। ২০১০ সালে জাপানের মোট জনসংখ্যা থেকে ১০ লোক কমে গেছে। নতুন আদামশুমারিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

১০ লাখ লোক কমে যাওয়ার ঘটনা স্পষ্ট প্রমাণ দেয়, দেশটিতে জন্মহার আশঙ্কাজনক হারে পড়ে গেছে। দেশটিতে এখন প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বেশি। জনসংখ্যার এই হ্রাস ১৯২০ সালের পর এটিই প্রথম।

বিবিসি অনলাইনের এক খবরে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে জাপানে আদমশুমারি হয়। এ অনুযায়ী গত আদমশুমারির চেয়ে শূন্য দশমিক (০.৭) শতাংশ লোক কমে গেছে।

জনমিতি থেকে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ সময় থেকে জাপানে লোকসংখ্যা কমছে। বলা হচ্ছে, জন্মহার কমে যাওয়া এবং অভিবাসনের অভাবে এই অবস্থা হয়েছে জাপানের।

ক্রমেই প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গতি হারাচ্ছে জাপানের অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে- যা আশঙ্কাজনক।

জাপানের ইন্টারন্যাল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০১০ সালের আদমশুমারিতে যে জনসংখ্যা ছিল ২০১৫ সালে তা থেকে ৯ লাখ ৪৭ হাজার কম।

জাপানের জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, রাজধানী টোকিওসহ আটটি অঞ্চলে (প্রিফেকচার) জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু অন্য ৩৯টি অঞ্চলগুলোতে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে ফুকুশিমা প্রিফেকচারে। গত পাঁচ বছরে এই প্রিফেকচারে ১ লাখ ১৫ হাজার লোক হারিয়েছে।

ফুকুশিমায় পরমাণু কেন্দ্র বিস্ফোরিত হয়ে এবং ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিধ্বস্ত হয়। যে কারণে এই অঞ্চল থেকে অনেক লোক স্থানান্তরিত হয়েছে। কয়েক হাজার লোক মারা গেছে। ফুকুশিমার পরমাণু তেজস্ক্রীয়তা এখনো ভোগাচ্ছে ওই অঞ্চলের জনগণকে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী জিনজো আবে সম্প্রতি ঘোষণা দেন, জন্মহার বাড়াতে হবে। মাপ্রতি জন্মহার হতে হবে ১.৮ এবং ধীরে ধীরে তা ২.১-এ উন্নীত করতে হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..