× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে আশাশুনির বেতনা এখন মরা খালে পরিনত

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯

সচ্চিদানন্দদেসদয়,আশাশুনি,সাতক্ষীরা: জলাবায়ুর পরিবর্তনের ফে আশাশুনি উপজেলার কুল্যা, বুধহাটা, কাদাকাটি ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলাসহ ধুলিহর ইউনিয়নের বুকচিরে বয়ে যাওয়া বেতনা নদীটি এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে।জরুরী ভিত্তিতে খনন না করা হলে সাতক্ষীরা একটা অংশ জলবদ্ধায় পরিনত হবে বলে পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

নদীটির সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্যে জোয়ার ভাটা নেই বললেই চলে। সদরের ধুলিহর ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা, মাছখোলা এবং আশাশুনির কুল্যা-গুনাকরকাটি ব্রীজ সংলগ্ন, বুধহাটা বাজার সংলগ্ন, নওয়াপাড়া ও মহেশ্বরকাটি এলাকার বেতনা নদীতে পলি জমতে জমতে ভাটার সময় নদীর তলদেশ জাগ্রত হয়ে গেছে। ফলে নদীতে ভাটার সময় সাধারণ মানুষ পায়ে হেটে পারাপার হয়ে থাকে।

নদীটি যশোরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে শার্শা উপজেলার নাভারনের কাছ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে এঁকে বেঁকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা থেকে আশাশুনি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বুক চিরে খোলপেটুয়া নদীতে গিয়ে মিশেছে। (বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক বেতনা নদীটির পরিচিতি নম্বর নং ৬৪। আবহমানকাল থেকে বেতনা নদীটির দৈর্ঘ্য ১৯১ কিলোমিটার (১১৯ মাইল), গড় প্রস্থ ৫৫ মিটার। কালের বিবর্তনে বেতনা নদী আজ হারিয়ে নদীটির চার ভাগের তিনভাগই ভরাট হয়ে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে গেছে এবং মরা খালে পরিনত হয়েছে।

এছাড়া সাতক্ষীরা সদরের বিভিন্ন এলাকায় নদীটি একেবারেই শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে এবং আশাশুনির অনেক স্থানে ভাটার সময় নদী হেটেই পার হয় সাধারণ মানুষ। বেতনা নদী তার নাব্যতা হারানোর ফলে লোকালয়ের মৎস্য ঘের, খাল, বিলের চেয়ে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে উচু হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে পারেনা। উপরন্ত বর্ষা মৌসুমে সকল খালের স্লুইচ গেটের পাট বন্ধ করে রাখতে হয়, যাতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর সাথে সাথে বেতনা নদী বালু মহল ঘোষনা করা হলে অথবা নদীটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ খননের উদ্যোগ গ্রহণ করলে অনেককাংশে নাব্যতা ফিরিয়ে আসতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। না হলে অচিরেই বাংলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে এক সময়কার প্রমত্তা বেতনা নদী। বিষয়টি আমলে নিয়ে নদী খননের কাজ শুরু করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহবান জানিয়েছেন সচেতন মহল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..