× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

সুমন দত্ত

ছাত্রদল নেতার হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নারী সাংবাদিক অনিমা

SDutta
হালনাগাদ: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভারে এক ছাত্রদল নেতার হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নারী সাংবাদিক দিলশান আরা অনিমা। তার দোষ তিনি সাভার কলেজের এক ছাত্রদল নেতাকে নিয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন। এতেই তার ওপর ক্ষিপ্ত হয় ওই ছাত্রদল নেতা ও তার ভাই আরেক ছাত্র দল নেতা। অনিমা দৈনিক বাংলাদেশ সময় পত্রিকার সাংবাদিক।

শনিবার ( ১৬ আগস্ট ২০২৫) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনতায়নে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি।

অনিমা বলেন, গত ১৮ মে বাংলাদেশ সময় পত্রিকায় “সাভার সরকারি কলেজে ইমু ইমরান কীভাবে ছাত্রদল সভাপতি হলেন” এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি সেখানকার স্থানীয়দের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। আর এই প্রতিবেদন দেখে ইমু ইমরানের বড় ভাই ক্ষুব্ধ হয়। ইমু ইমরানের বড় ভাই ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল।

তিনি বলেন, ইমু ইমরান সাভার সরকারি কলেজে সরাসরি ভর্তি হওয়া নিয়মিত ছাত্র না। সেই প্রাইভেটে ভর্তি হওয়া ডিগ্রি কোর্সের ছাত্র। এই কলেজে রাজনীতি করার লক্ষ্যে এই কোর্সে ভর্তি হয়েছে। মাহফুজ ইকবাল ছাত্রদলের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে তড়িঘড়ি করে তার ভাইকে সাভার কলেজের ছাত্রদল সভাপতি করেন।

গত ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে তালাশ বিডি অনলাইন মাহফুজ ইকবালকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যার শিরোনাম ছিল “দলীয় পদ নাকি দুর্নীতির সিড়ি”। সাভারে অস্যংখ শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা তুলে তারা বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে। এ নিয়ে আরো প্রতিবেদন ছাপা হয়। ৫০ লাখ টাকা দামের নিশান গাড়িতে চড়ে তারা বিভিন্ন স্থানে যাওয়া আসা করে। যার নম্বর ( ঢাকা মেট্রো ঘ ১৫২৬৮৭)।

এসব সংবাদ প্রকাশের পর তারা গত ১১ জুলাই আমাকে হুমকি দিতে থাকে। ওই দিন রাত ১০ টায় ইমু ইমরান ও মাহফুজ ইকবাল সাভার থানার ঘুমাইয়া রেস্টুরেন্টে আমাকে চড় থাপ্পর মারে ও মাথায় বিদেশি পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। আমাকে প্রতিবেদন না ছাপানোর জন্য বলে। সেই দিন থেকে আমি ও আমার পরিবার চরম আতঙ্কে আছি।

তিনি বলেন, সাভার থানায় অভিযোগ দিতে গেলে তারা অভিযোগ গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এরপর বাধ্য হয়ে আমি তাদের বিরুদ্ধে সিআর মামলা করি, যার নম্বর সিআর-৩৯৯।

অভিযুক্ত ইমু ইমরান ও মাহফুজ ইকবালের যোগাযোগ নম্বর না পাওয়াতে তাদের বক্তব্য দেওয়া গেল না। পরবর্তীতে তা দেওয়া হবে।

 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..