× Banner
সর্বশেষ
গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার – মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নতুন বাংলাদেশের পথচলা শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে – অধ্যাপক ইউনূস জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে – তথ্যমন্ত্রী ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল কাস্টমসে স্বর্নবারসহ পাসপোর্টধারী আটক লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠান বয়কট করে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করলেন এনসিপি নেতারা প্রতি উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে – তথ্য প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য – প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ মেয়ে থেকে ছেলে হয়েছে কেয়া আক্তার, বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল – সংস্কৃতিমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বড় বাজেট প্রস্তাব অর্থনীতি সমিতির

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বড় বাজেট প্রস্তাব অর্থনীতি সমিতির। আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি। যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বড়। চলতি অর্থবছরের বাজেট ছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বাজেট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত।

তিনি বলেন, সমিতির প্রস্তাবিত এই টাকার অনুন্নয়ন খাতে ব্যয় হবে ৫ লাখ ১৪ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা। আর উন্নয়ন খাতে যাবে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয় থেকে আসবে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮২০ কোটি টাকা।

রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক বলেন, খাতগুলো হবে আয় ও মুনাফার উপর কর, মূল্য সংযোজন কর, লভ্যাংশ ও মুনাফা, জরিমানা-দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ, সম্পূরক কর, লভ্যাংশ ও মুনাফা, অর্থপাচার রোধ থেকে প্রাপ্তি, কর ব্যতীত অন্যান্য রাজস্ব ও প্রাপ্তি, কালো টাকা উদ্ধার থেকে প্রাপ্তি, সম্পদ কর, যান বহন কর, মাদক শুল্ক, ভূমি রাজস্ব থেকে।

অর্থনীতি সমিতি এবারের বাজেটে বেশ কয়েকটি খাতে বরাদ্দ বাড়াতে বলছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ব্যয়, এরপর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, জনপ্রশাসন, পরিবহন ও যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ, কৃষি, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, শিল্প ও অর্থনৈতিক সার্ভিস, গৃহায়ন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক বারকাত বলেন, কেউ কেউ এটা উচ্চাকাঙ্খার বাজেট প্রস্তাব বলতে পারেন। আমাদের দেশে বিরোধী দলের কাজই হলো বাজেটের প্রস্তাবনার পর এটাকে ‘উচ্চাকাঙ্খার বাজেট’ ও ‘গরিব মারার বাজেট’ বলে থাকে।

এ অর্থনীতিবিদের মতে, দেশে এখন ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থপাচার হচ্ছে। বাজেটে এ সমস্যা সমাধানে পদ্ধতিগত নির্দেশনা থাকতে হবে। অর্থপাচার রোধ থেকে আগামী অর্থবছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেট প্রস্তাবে।

বর্তমানে বাজেট তৈরি করা হয় সব মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে, যা অর্থ বিভাগ চূড়ান্ত করে। এ ব্যবস্থায় সৃজনশীল চিন্তার সুযোগ কম। এতে সমস্যার দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায় না এবং বাজেটও বাস্তবসম্মত হয় না।

এ অবস্থা নিরসনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি রাজস্ব কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেন এ অধ্যাপক।

এক প্রশ্নের জবাবে দেশে আনুমানিক ৫ লাখ কোটি টাকা থেকে ৭ লাখ কোটি কালো টাকা রয়েছে জানিয়ে ড. আবুল বারকাত বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে কালো টাকা দেশের মোট জিডিপির ৪২ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ। এটাকে কমানোর জন্য সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারে এবং একটি কমিশনও গঠন করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..