× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

গাংনীর তিন সহোদর হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি দুই জনের যাবজ্জীবন

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

মেহের আমজাদ,মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামের তিন সহোদর হত্যা মামলায় জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ভারতে পলাতক দুখু বাহিনী প্রধান দুখুর ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় দুখুর সহযোগী আজিমুদ্দীন ও চেতন আলীকে যাজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিজ্ঞ বিচারক টি.এম মুসা এক জনাকীর্ণ আদালতে ওই আদেশ দেন। ৩২ জন আসামির মধ্যে তিন জন দন্ডিত এবং বাকিরা বেকুর খালাস পেয়েছেন। এর মধ্যে দুখু ও তার সহযোগী আজিম উদ্দীন ভারতে পলাতক রয়েছেন। চেতন আলী রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালের ৩০ আগষ্ট রাতে গাংনী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী ধলা গ্রামে এক কিলিং মিশনে ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক ও তার ভাই জাহিদুল ইসলাম এবং রুহুল আমিনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

হত্যাকান্ডের পরদিন নিহত ইমদাদুল হকের স্ত্রী রেনুকা খাতুন বাদি হয়ে বাহিনী প্রধান দুখুকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর দুখুসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গাংনী থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলায় ৪০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ওই রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে রায় ঘোষণার পর বাদি পক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রায়ে প্রধান আসামির ফাঁসির আদেশ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মেহেরপুর জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বেকসুর খালাস হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন। মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল মতিন, অ্যাডভোকেট শহীদুল্লাহ ও অ্যাডভোকেট শাহীনুর রহমান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..