× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

কোটি টাকার জাল রূপির মামলায় পাকিস্তানী নাগরিকের কারাদণ্ড

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক অসিত কুমার ঘোষ (বাবু)ঃ এক কোটি টাকার বেশি ভারতীয় জাল রূপি দখলে রাখার মামলায় পাকিস্তানী নাগরিক মোহাম্মাদ এমরানের ছয় বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামী ছয় বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা, জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডিত ইমরান পাকিস্তানের করাচির নাগরিক। তার পিতার নাম আব্দুল গাফফার। তার পাসপোর্ট নম্বর বি-জেড ১২২৫৩০৩।

রায় ঘোষণার সময় আসামীকে কারাগার থেকে ইমরানকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষনার পর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি কাতার এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নম্বর কিউআর ৬৩২ নম্বর ফ্লাইটে আসামি এমরান দোহা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক আসেন। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা তার গতিরোধ করেন। এ সময় তারা আসামীর লাগেজ স্ক্যানিং করে আশি লাখ ভারতীয় রুপি যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জব্দ করেন। পরে বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা যায় আসামীর বহন করা রুপিগুলো জাল।

এ ঘটনায় পরদিন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে ঢাকার বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এসআই ইলিয়াছ মোল্যা ২০১৬ সালের ৪ ডিসেম্বর আসামীকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে আদালত চার্জশিটভূক্ত ৮ সাক্ষীর মধ্যে ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলা আসামীপক্ষে অ্যাডভোকেট তাহমীনা আক্তার হাশেমী পরিচালনা করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..