× Banner
সর্বশেষ
দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার

কারাগারে যেভাবে জীবন কাটাতেন বলিউডের সঞ্জয়

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বিনোদন ডেস্কঃ অভিনেতা হিসেবে তার সুনাম সবারই জানা। কিন্তু এবার সাথে করে নিয়ে আসলেন কাগজের ব্যাগ তৈরি ও রেডিও জকি হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাও! কারণ কারাগারে বসে নিয়মিত এই কাজগুলোই যে করতেন এই বলিউড সুপার স্টার। কারাগারে কেমন সময় পার করলেন এ অভিনেতা- চলুন এবার জেনে নেয়া যাক সেই কথা।

কারাগারে সঞ্জয় দত্তকে সবোর্চ্চ নিরাপদ ওয়ার্ড ‘ফ্যান্সি ওয়ার্ডে’ রাখা হয়েছিল। আট ফুট বাই দশ ফুটের এই সেলের ঠিক পাশেই ছিল মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের সেলগুলো। কারাগারে তাকে পড়তে হতো কারাবন্দীদের জন্য নির্ধারিত পোশাকই।

যদিও অনেকে দাবি সেলেব্রিটি হওয়ার কারণে তিনি অনেক বেশি প্যারোল ভোগ করেছেন। তবে কারাগারে তার দৈনন্দিন রুটিন ছিল আর সব বন্দিদের মতই। সকাল ৫টায় টায় ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা করতেন। এরপর ব্যায়াম করে, সকালের নাশতা সেরে এক কাপ চা খেতেন তিনি।

তারপর কারারক্ষীরা তার কাগজের ব্যাগ বানানোর জিনিসপত্র নিয়ে আসতো। নিউজ পেপার কেটে কেটে তিনি বানাতেন কাগজের ব্যাগ। আর এই কাগজের ব্যাগ বা ঠোঙ্গা তৈরি করে তিনি আয় করেছেন প্রতিদিন ৪৫ রূপি।

দুপুরে তাকে কারাগারের অভ্যন্তরীণ রেডিও কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে তিনি রেডিও জকি হিসাবে একটি প্রোগ্রাম উপস্থাপনা করতেন। দুপুরের খাবারের পরও তিনি সেখানেই কাজ করতেন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাতের খাবার খেয়ে ৮টার মধ্যে তাকে সেলে ঢুকে পড়তে হতো। পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত তিনি সেখানেই তালাবন্ধ থাকতেন।

জনৈক কারাবন্দী জানায়, তাকে কারাগারে সবাই ‘বাবা’ বলে ডাকতো। কারাগারে অনেক বই পড়তেন সঞ্জয় দত্ত। লাইব্রেরী থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২টি করে বই নিতেন এই তারকা। কারারক্ষী ও অন্যান্য বন্দীদের সাথে ভালো ব্যবহারের জন্যও সুখ্যাতি ছিল তার। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাকে মুক্তি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বোমা হামলার ঘটনার পর হামলাকারীর কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র কেনার অভিযোগে সাজা হয় ‘মুন্নাভাই’ খ্যাত এই অভিনেতার। ২০১৩ সালে তাকে পুনের ওই কারাগারে কারাভোগ শেষ করার জন্য পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার তিনি সেই সাজা শেষে বেরিয়ে আসেন।

সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান


এ ক্যটাগরির আরো খবর..