× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

ঐতিহ্যবাহী শেরেবাংলার চাখার ইউনিয়ন নদীভাঙনের কবলে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০১৬

মোঃ আবুল হোসেনঃ বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার শেরেবাংলার পৈতৃক ভিটা ঐতিহ্যবাহী চাখার ইউনিয়ন স্বাধীনাতর পর থেকেই নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে।

এই ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রাম (কালিরবাজার) এলাকা ও বাকপুর ইউনিয়নের খোদাবকশা নামক স্থান থেকে মাইলের পর মাইল ফসলি জমি, বাড়িঘর, সরকারি প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, অনেক মসজিদ ও মন্দির ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

নদী ভাঙনের চিত্র (কালিরবাজার দক্ষিণ ও খোদাবকশা সীমানা)। চাখার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও ২নং ওয়ার্ড (বড় চাউলাকাঠী গ্রাম) নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ক্রমান্বয়ে।

স্বাধীনতার পর থেকে এ অবধি যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে তাদের এমপি ও মন্ত্রীরা নদী ভাঙন রোধে কার্যকরি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এই এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য। এই এলাকার মানুষ নিরুপায় হয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

আলোকচিত্রে : চাখারের রাস্তা (বড় চাউলাকাঠী গ্রাম) নদী ভাঙনের একটি চিত্র। চাখার গ্রামের পশ্চিম চাখার থেকে নদী পর্যন্ত এখন দূরত্ব হবে এক কিলোমিটারের মতো। নদী ভাঙন রোধে কার্যকরি কোনো পদক্ষেপ না নিলে শেরেবাংলার পৈতৃক ভিটার ঐতিহ্য অচিরেই হারিয়ে যাবে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর শেরেবাংলার পুত্র এ.কে ফায়জুল হক পাট প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় এলাকায় একবার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল নদী ভাঙন রোধে অনেক টাকা সরকার বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু সেই গুঞ্জন, গুঞ্জনই রয়ে গেছে। নদী ভাঙন রোধে এ এলাকার মানুষ আজ অবধি কোনো আলোর মুখ দেখেনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..