× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

এলাকা পরিচালক নাসিরের দূর্ণীতি চলছে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি ॥ বর্তমান সরকার প্রতিটি গ্রামে বিনামূল্যে বিদ্যূৎ পৌছানোর লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু সরকারি বরাদ্দের লাইন নির্মান কাজে চলছে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এলাকা পরিচালকের যোগসাজসে সাধারণ জনসাধারণকে বোকা বানিয়ে অবৈধভাবে টাকা লুটপাটের মহোৎসব।

টাকা না দিলে লাইন নির্মান হবে না এমন ভাওতাবাজি করে বিভিন্ন বরাদ্দে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঠাকুরগাও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঠাকুরগাও-২ এলাকা পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার ভাংবাড়ি গ্রামের জনৈক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার খালেকুজ্জামান বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, সরকারী বরাদ্দের পল্লী বিদ্যুতের আবাসিক প্রায় ১০০টি নতুন মিটার সংযোগের নামে হাজার হাজার টাকা গুটি কয়েক দালালের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন এলাকা পরিচালক নাসির।

এছাড়াও উপজেলার ভরনিয়া আনসারডাঙ্গী, মৃর্ণালবাড়ী, মন্ডল পাড়া গ্রামে মোট সাড়ে ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সরকারী বরাদ্দে পল্লী বিদ্যুত সমিতির আওতায় লাইন নির্মানের কাজ চলছে। এখানেও তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভাংবাড়ি গ্রামের হযরত আলী ও আব্দুর রহিম জানান, আমরা এলাকা পরিচালক নাসিরের নির্দেশে মিটার সংযোগ বাবদ প্রাথমিকভাবে প্রায় ৭০ হাজার টাকা তুলেছি। আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ লাইন নির্মানের সরকারি বরাদ্দ হয়েছে কিন্তু কাজের কোন অগ্রগতি হয়নি।

পল্লী বিদ্যূত সুত্রমতে, এলাকা পরিচালক নাসিরের লাইন নির্মাণে টাকা আদায়টি অন্যায় তিনি টাকা আদায় বা সংযোগ বিষয়ে কথা বলার কোন অধিকার রাখেন না। এছাড়াও সরকারী বরাদ্দের এ কাজটিতে গ্রাহকের লাইন নির্মাণ বাবদ কোন খরচ লাগবে না সমস্ত খরচ সরকারী বরাদ্দে বহন করা হবে।

গ্রাহকের শুধুমাত্র আবাসিক, বাণিজ্যিক সংযোগগুলোতে পল্লী বিদ্যূ’র নিয়মনুযায়ী পাঁচ ফিট ওয়ারিং নিজ খরচে মিটার জামানাত ৬শ, সদস্য ৫০ টাকা সব মিলিয়ে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫শ টাকা প্রর্যন্ত খরচ হতে পারে এর বেশি নই।
নাসিরউদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলেন, অফিসের লোকজনের সাথে আমার লাগাবাজা আছে তাই আমার বিরুদ্ধে এত বদনাম ছড়ানো হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পীরগঞ্জ জোনের ডিজিএম মাসুদ রানা বলেন, পল্লী বিদ্যুতের মালামাল ওয়্যারিং মিটার জামানত সব মিলিয়ে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মত খরচ হতে পারে। অভিযোগের ব্যাপারে শুনেছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
ঠাকুরগাও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..