কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, উন্নত কৃষি চর্চার মাধ্যমে উৎপাদিত আম স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। আম উৎপাদনে উত্তম কৃষি চর্চা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে।
কৃষি সচিব আজ রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে কৃষকের বাজারে উত্তম কৃষি চর্চা অনুসরণ করে উৎপাদিত নিরাপদ আম বাজারজাতকরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
কৃষি সচিব বলেন, দেশে উৎপাদিত আম সুস্বাদু ও গুণগত মানসম্পন্ন হওয়ায় সারাবিশ্বে পর্যাপ্ত চাহিদা রয়েছে। সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা সেগুলো পৌঁছাতে পারি না। উন্নত কৃষি চর্চার মাধ্যমে সমস্যা কাটিয়ে আমরা রপ্তানি বাড়াতে চাই। বাংলাদেশের আম ৩৮টি দেশে রপ্তানি হয়। এবছর নতুন করে চীন যোগ হয়েছে। গত বছর ১ হাজার ৩ শত মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। আমরা আম রপ্তানি ৫০ হাজার টনে উন্নীত করতে পারি। এর জন্য আমদানিকারক দেশের বিধিবিধান মেনে আম উৎপাদন ও বাজারজাত করতে হবে।
সচিব আরো বলেন, আমাদের দেশের আম বেশ সুস্বাদু। কিন্তু আমের রং নিয়ে বিদেশে সংশয় রয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা বজায় রেখে কিভাবে আমের রং ও মৌসুম বাড়ানো যায়, তার জন্য আমাদের বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। তিনি বলেন, আমকে যথাযথভাবে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে আমরা কাজ করছি। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক প্রকল্পও রয়েছে। রপ্তানি বাধা কাটিয়ে উঠতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে জানিয়ে এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, রপ্তানির সমস্যাগুলো আমরা সমস্যা সমাধান করবো।
অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক নার্গীস আক্তার, প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনিউরশীপ এন্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
এর আগে সচিব উত্তম কৃষি চর্চা অনুসরণ করে উৎপাদিত নিরাপদ আম বাজারজাতকরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।