× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

আবু কাইয়ুমের প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারী প্লাটফর্ম

SDutta
হালনাগাদ: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক কাজী আবু কাইয়ুম শিশিরের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারী প্লাটফর্ম নামে একটি সংগঠন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহবায়ক জাকির হোসেন এ দাবি জানান। এ সময়ে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিল আবুল কালাম আজাদ, গোলাম হাশেম, শাহনাজ নাসরিন পপি, আজিজুল হক রাজা, আলমগীর হোসেন, বদরুল ইসলাম, শামীম, সেলিম মিয়াসহ অন্যরা।

তিনি বলেন, আবু কাইয়ুম শিশির একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলা চলমান, তিনি পরিচালক পদে থেকে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যে জড়িত। তিনি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্ব পেয়ে মাত্র তিন মাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তার সমালোচনা হলে তাকে বদলি করা হয়। তিনি মন্ত্রণালয়ের এই বদলির আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। বদলির আদেশ বহাল থাকলেও তিনি সেখানে যাননি।

তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করায় শিক্ষাবার্তা পত্রিকার বিরুদ্ধে তিনি ১০০ কোটির মানহানি মামলা করেন। এনসিটিবির চেয়ারম্যান পদের জন্য শিক্ষা উপদেষ্টাকে তিনি এক কোটি টাকা ঘুষ দিতে চেয়েছিলেন। তিনি ফরহাদ মাজহারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালিয়েছেন। কর ফাকির মামলায় তার বিরুদ্ধে এনবিআর তদন্ত করছে। বর্তমানে তিনি যে পদে আছেন সেখান বসে বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তির তদন্তের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন। শিশির বালু ব্যবসা করে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা পরিশোধ করেনি। তার স্ত্রী ঢাকা স্টেট কলেজের অধ্যাপক। দীর্ঘদিন তিনি দেশের বাইরে আছেন কিন্তু তিনি বেতন ভাতা তুলছেন। ভিন্নমত পোষণ কারীদের তিনি হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। তাদের কে হয়রানি করছেন।

শিশিরকে অবিলম্বে মাউশি থেকে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। তার বিরুদ্ধে যেসব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়ন করার আহবান জানান তারা।

আবু কাইয়ুম শিশিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগ সত্য হলে আমি এ পদে এখনো বসে থাকতে পারতাম না। আমাকে চেয়ার থেকে ছুড়ে ফেলা হতো। আপনার বিরুদ্ধে দুদকে তদন্ত হচ্ছে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এমন তদন্ত অন্তত দুইবার হয়েছে। এ নিয়ে তৃতীয়বার। একই অভিযোগের উত্তর আমাকে বার বার দিতে হচ্ছে। যারা আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে করেছে তারা এর আগেও একবার সংবাদ সম্মেলন করেছে।

তিনি বলেন, সেলিম ভূঁইয়া ও জাকির হোসেন এরা আমার ডিজি হওয়ার পথ আটকানোর জন্য এসব করছেন। আমি ডিজি হলে তাদের মতো লোকেরা এই শিক্ষা ভবনে আসতে পারবে না। এরা দুর্নীতি করতে পারবে না। তাদের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর আমি ভিন্নমতের হওয়ার কারণে আমাকে অন্য জায়গায় বদলি করে রাখা হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে এই পদে বহাল করেছে। আমার ধন সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আমি স্বীকার করি আমার সম্পদ আছে। আমি সেগুলোর কর দেই। আমার স্ত্রী বিদেশ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবান্তর। সরকারের অনুমতি নিয়ে তিনি বিদেশ আছেন। সেটা তিনি করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, পতিত সরকারের চাইতে বেশি দুর্নীতি হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময়ে। আর এতে এই সেলিম ভূঁইয়া ও জাকির গংরা বর্তমান ডিজির সঙ্গে যোগসাজশ রেখে এসব করে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..