× Banner
সর্বশেষ
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের টিপকাণ্ডে বরখাস্ত কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

আণবিক বৈদ্যুতিক উপকরণ সৃষ্টির স্বপ্ন একধাপ এগোলো

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১৬

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক:  সিলিকন ডায়োড ইলেকট্রনিক্সের জগতে অর্ধপরিবাহী পরিচিত একটি নাম। এটি মূলত বৈদ্যুতিক উপকরণের মধ্য দিয়ে বিদ্যুতকে যে কোন একদিকে চলতে দেয়। এজন্য একে তড়িৎপ্রবাহ একমুখীকারক বা রেকটিফায়ারও বলা হয়। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রে (এলইডি চার্জার,সৌরবিদ্যুত কোষ ইত্যাদি)ডায়োড ব্যবহৃত হয়।

বিজ্ঞানীরা গত ৫ দশক ধরে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের আকার না বাড়িয়ে করে এর কর্মদক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু সিলিকনের সর্বনিম্ন আকারের চিপ আবিষ্কার করা হয়ে গেছে। তাই সিলিকন চিপের দক্ষতা আর বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে তারা সিলিকনের পরিবর্তে ডিএনএ নিয়ে কাজ শুরু করেন। কারণ ক্ষুদ্রতর অবস্থায়ও ডিএনএর বৈশিষ্ট্যসমূহ সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।

একটি একক ডিএনএ অণুকে কয়েক ন্যানোমিটার আকারের একটি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক বর্তনীর সাথে যুক্ত করেন। এরপর এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ পরিমাপ করা হয়। তবে এতে বিশেষ কোন পরিবর্তন দেখা গেল না। পরবর্তীতে তারা কোরালাইন নামক এক ধরনের জৈবিক অণু ডিএনএ তে প্রবেশ করান। এটি ব্যবহারের ফলে বর্তনীর বৈশিষ্ট্য আকস্মিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

এতে সম্মুখ বায়াসে বিপরীতমুখী বায়াসের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হতে থাকে। যা ক্ষুদ্র আকারের ন্যানোডায়োডের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। বিজ্ঞানীরা ডিএনএর এই ডায়োড সদৃশ ধর্মের জন্য কোরালাইন এর অন্তর্ভুক্তিকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন। কারণ কোরালাইন ব্যবহারের কারণে দ্বিসূত্রক ডিএনএর দুই পাশ আর প্রতিসম থাকে না। ফলে ডিএনএর নাইট্রোজেন বেস জোড়গুলোর মাঝে দুরত্বও সর জায়গায় এক থাকে না।

এতে বিদ্যমান শক্তিরও কিছুটা তারতম্য দেখা যায়। যার কারণে এটি বিভব শক্তি দ্বারা  আবেশিত হয়। গবেষকরা আশা করছেন, ন্যানোডায়োড উদ্ভাবনের কারণে ন্যানো ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরির পথ সুগম হবে। এই যন্ত্র বা উপকরণগুলো বর্তমানে প্রচলিত যন্ত্রের চেয়ে প্রায় ১ হাজার গুণ ছোট হবে। ফলে ক্ষুদ্র আকৃতির যন্ত্রের কাজের গতিও অনেক বাড়বে।

তাই ন্যানোডায়োডের আবিষ্কার আমাদেরকে আণবিক বৈদ্যুতিক উপকরণ সৃষ্টির স্বপ্ন বাস্তবায়নের আরো একধাপ কাছে নিয়ে গেল বলেই ধারণা করা যায়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..