× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধাকে অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী চলনবিলে সমন্বিত ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু -বিমান মন্ত্রী রাতের আধাঁরে সামাজিক বনায়নের গাছ লুট বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বে রাজনীতি যেন প্রভাব না ফেলে: প্রধানমন্ত্রী ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময়

অবসরে যাওয়া বিচারকের হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন নির্যাতিত নারীর

SDutta
হালনাগাদ: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ১০ জুলাই বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া ঢাকার জেলা জজ জুয়েল রানার হুমকিতে ধর্ষণের বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। শনিবার (১৬ আগস্ট ২০২৫) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ক্রাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সম্মান হারানো ওই নারী বলেন, আমি এতিম। থাকি ফ্রিলান্স করে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে। গত ১০ বছর ধরে আমি ঢাকার জেলা জজ জুয়েল রানার বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে আসছি। বর্তমানে মামলাটি চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় সুপ্রিমকোর্টে আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির এজলাসে রয়েছে। আমার আশা তিনি আমাকে ন্যায় বিচার দিবেন। এরই মাঝে জুয়েল রানাকে বাধ্যতামূলক অবসরে দিলে তিনি আমাকে গত ৮ জুলাই অন্য ব্যক্তি দিয়ে কলিজা টেনে কুত্তা দিয়ে খাওয়ানোর হুমকি দেয়। যে কারণে  সংবাদ সম্মেলন করে তা জানাতে বাধ্য হয়েছি।

তিনি বলেন, আমি ২০১৫ সালে বিচারক জুয়েল রানার নিপীড়নের শিকার হই। তার আদালতে আমি কাজ করতাম। তার সঙ্গে পরিচয় হই এক ডিভোর্সের মামলার সূত্র ধরে। আমার সাবেক স্বামীকে আমাকে ডিভোর্স দেয়। জুয়েল রানা আমার আস্থা বিশ্বাস অর্জন করে গত ৮ জুন ২০১৫ সারে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর তিনি অসুস্থ হলে জুয়েল রানা নিজ অর্থ ব্যয় করে তাকে সুস্থ করে তোলেন। আর এ কাজে তাকে সহায়তা করে তাদের বাড়ির কাজের ছেলে সবুজ। এ ঘটনার পর জুয়েল রানা আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে চুপ রাখে। জুয়েল রানা বিবাহিত। সে তার আগের স্ত্রীর অমতে কিভাবে বিয়ে করবেন আমি প্রশ্ন করলে তিনি আইন দিয়ে আমাকে বোঝান।

এরপর জুয়েল রানা আমাকে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটান। তিনি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের জুনিয়র ছিলেন। যে কারণে ওই সময়ে তার প্রভাব ছিল অপরিসীম। তিনি আমাকে বিভিন্ন লোক দিয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন করেন।

জুয়েল রানার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান। তিনটি মামলায় তিনি হেরে যাবেন। এমনটা আমার ধারণা। আমি জুয়েল রানার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দিয়েছি। জুয়েল রানা বিদেশে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছেন। শুনেছি তিনি দুর্নীতি করে কানাডাতে বাড়ি গাড়ি করেছেন। সেখানে তার মেয়ে থাকে। তিনি সেখানে চলে যাবেন। তাকে দেশ ত্যাগে বাধা দিবে কর্তৃপক্ষ এমন আশা করেন।

অবসর প্রাপ্ত বিচারক জুয়েল রানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঝালকাঠির ওই নারী আমার বিরুদ্ধে যা বলেছে সব মিথ্যা। ২০১৭-১৮ সাল থেকে আমার পিছনে লেগেছে সে। সে একজন এক্সটরনিস্ট। সে আমার আদালতে উমেদারের কাজ করত। আমার সম্মান হানি করতে সে এসব বলে বেড়াচ্ছে। সে আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ যোগাড় করতে সব জায়গায় গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। আমি আদালতে ন্যায় বিচার পাব এমন আশা আমার।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..