× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

বিশেষ প্রতিনিধি

অপহরণ-৯টি ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর ঘটনার ভুক্তভুগী পলাশ বিশ্বাসকে হারামজাদা বললেন ওসি

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
palash biswas

ঝিকরগাছায় রাত সাড়ে ৯টায় পলাশ বিশ্বাস (৪৩) অপহরণ করে গলায় ছুরি ধরে ৯টি ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত ১.৩০মিনিটের দিকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ঝিকারগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী বলেন পলাশ বিশ্বাস হারামজাদা। ঘটনার সত্যতা নেই। টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয় ছিলো, ঠিকমত যোগাযোগ রাখেনি তাই পলাশকে নিয়ে গিয়ে কথাবার্তা বলেছে। পরে ওরা স্থানিয়ভাবে মিমাংসা করে নিয়েছে। পলাশ বাদী হয়ে থানায় যা লিখেছে তা ভিত্তিহীন।

দ্যা নিউজের জেলা প্রতিনিধির নিকট পলাশ বিশ্বাস অপহরণের সিসি টিভির ভিডিও ফুটেজের কথা বললে ওসি বলে ওরকম কত ভিডিও দেবে, অসবের গুরুত্ব নেই। ও একটা হারামজাদা ছেলে। অপহরণ ও ফাকা স্টাম্পে স্বাক্ষর এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি উড়িয়ে দেন।

প্রতিনিধির কাছে ঘটনার সিসি টিভির ফুটেজ (ভিডিও লিঙ্কঃ  https://web.facebook.com/reel/1147936640649053 ) আছে এমন কথার উত্তরে তিনি বলেন সিসি টিভির ফুটেজ কেনো আরো কতো কিছু দিবে ? পলাশ একটা হারামজাদা ছেলে। বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে দেয়না। পালিয়ে ছিল, পরে ওরে ধরে স্থানিয় ভাবে মিমাংসা করে নিয়েছে।

এ ঘটনায় যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার ভূক্তভোগী পলাশ বিশ্বাস গত ৬ অক্টোবর ঝিকরগাছা থানায় মোঃ সাইফুল ইসলাম, হাসান কবিরসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

gd of palash

লিখিত অভিযোগে জানান, গত ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে নয়টার দিকে পলাশ বিশ্বাস ঝিকরগাছা শহরে কৃষ্ণনগরে তার বন্ধু বৃন্দাবন পাল এর জুয়েলার্সের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল।

এ সময় একটি কালো রংয়ের মাইক্রোবাস আসে। এরপর মাইক্রোবাস থেকে নেমে হাসান কবিরসহ অজ্ঞাত চার ব্যাক্তি তাকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে উঠিয়ে উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের হাসান কবিরের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত কবিরের সঙ্গী সাইফুল ইসলাম তাকে আটকে মারপিট ও নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক ৯টি ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ছেড়ে দেন।

পলাশ বিশ্বাস তার অভিযোগে আরো উল্লেখ করেছেন, তার বন্ধু নাসরুল ইসলামের একটি চেক ডিজঅনার মামলার তিনি স্বাক্ষী ছিলেন। সেই মামলার বিবাদিরাই পলাশকে তুলে নিয়ে মারপিট ও হুমকি দিয়ে ফাঁকা ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশ বিশ্বাস বলেন, আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে ধরে এবং গলায় ছুরিও ধরে। আমি এখনও কোন স্টাম্প ফেরত পাইনি। বর্তমান চাপ ও পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে বিষয়টি মিমাংসা করে নিতেও বাধ্য হতে পারি। তবে আমি প্রচণ্ড রিস্কে আছি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..