× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সবাইকে খাদ্য উৎপাদন করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
সবাইকে খাদ্য উৎপাদন করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বে খাদ্য মন্দা চলছে, সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। তাই সবাইকে খাদ্য উৎপাদনের প্রতি নজর দিতে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর-কালশী ফ্লাইওভার ও ইসিবি চত্বর থেকে মিরপুর পর্যন্ত ৬ লেনে উন্নীত হওয়া সড়কের উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন, বিশ্বে খাদ্য মন্দা চলছে। তাই আপনাদের কাছে আবেদন থাকবে, আমাদের মাটি উর্বর, কোনো জায়গা যেন খালি না থাকে। উৎপাদন করতে হবে। নিজেরটা নিজে খান বা মানুষকে দেন বা বিক্রি করেন। যে যা পারেন তাই উৎপাদন করেন। জায়গা খালি রাখবেন না।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে। তাই উচ্চমূল্যে আমাদের খাদ্য কিনতে হচ্ছে। আমরা শুধু ধান উৎপাদন করতে পারছি। কিন্তু গম, চিনি, ভোজ্যতেল, জ্বালানি তেল উচ্চমূল্য দিয়ে কিনতে হচ্ছে। ২০০ ডলার দিয়ে যে গম কেনা হতো তা ৬০০ ডলার দিয়ে কিনেছি। বহু অতিরিক্ত ডলার খরচ করে আমরা জনগণের চাহিদা মেটাচ্ছি।

ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারেও দেশের স্বল্প আয়ের মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে সরকারের নেয়া কিছু উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এক কোটি মানুষকে কার্ড দিয়েছি ৩০ টাকা কেজিতে চাল কেনার জন্য। তার থেকেও যারা কম উপার্জন করে এমন ৫০ লাখ লোককে মাত্র ১৫ টাকা কেজি চাল কেনার সুযোগ করে দিয়েছি। আমরা রমজানে এক কোটি মানুষকে বিশেষ সুবিধা দেব। এর মধ্যে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা হবে। আর কিছু মানুষকে সামান্য টাকা দিয়ে কিনে খেতে হবে।

ঢাকায় খেলার মাঠের অভাব, বিনোদনের অভাব আছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজকে যেখানে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছি (কালশী মাঠ) সেখানে বিনোদন পার্ক হবে। এখানে কেউ ভবন বানাতে পারবে না। ছেলেমেয়েদের খেলার ব্যবস্থা হবে, শিশুদের জন্য পার্ক করা হবে। বয়স্করা যারা হাঁটাচলা করতে চান, সে ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু এই মাঠ যেন মাঠ থাকে।

ঢাকায় অনেক খাল ছিল, জলাধার ছিল। এখন আর তেমন কিছুই বেঁচে নেই। আমরা কিছু উদ্ধারের চেষ্টা করছি। মানুষ এতে অসুস্থ হচ্ছে। কারণ, পরিবেশ ভালো নেই। আমরা সব ধ্বংস করছি। এসব কিছুকে বাঁচাতে হবে, তবেই আমরা বেঁচে থাকতে পারব – বলেন প্রধানমন্ত্রী।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..