× Banner
সর্বশেষ
ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ আগস্ট যেভাবে হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’

ডেস্ক

শারীরিক-মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে কিভাবে সাহায্য করে বই

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
বই

আসলে বই এবং শরীরের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণেই বই পড়লে তার সুফল শরীরের উপরও পড়ে। বই পড়লে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়বে সে বিষয় তো কোনো সন্দেহ নেই। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে বই পড়ার অভ্যাস দারুণভাবে সাহায্য করে।

স্ট্রেস কমে যায়
পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমান প্রজন্ম বেশি মাত্রায় ভুগছে মানসিক চাপে। আর বই পড়ার অভ্যাস এমন ধরনের সমস্যাকে কমাতে দারুণ কাজে আসে। কীভাবে এমনটা হয়? একাধিক কেস স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়েছে যে বই পড়ার সময় মন খুব শান্ত হয়ে যায়। ফলে মানসিক চাপ কমতে শুরু করে। তাই তো ঘুমতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা পছন্দের যে কোনো বই পড়ার অভ্যাস করুন।

মনোযোগ বৃদ্ধি পায়
কর্মক্ষেত্রে হোক কী পড়াশোনায়, যে কোনো ফিল্ডে উন্নতি করতে গেলে মনোযোগ সহকারে সেই কাজটি করা একান্ত প্রয়োজন। না হলে যতই শ্রম করা হোক না কেন কাঙ্খিত ফল মিলতে অনেক সময় লেগে যায়। আর এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে বই। কারণ প্রতিদিন বই পড়লে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে উন্নতি ঘটে মনোযোগ ক্ষমতারও।

স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে
স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটি যত বাড়বে, তত স্মৃতিশক্তির উপর কুপ্রভাব পড়বে। আর যদি ঠিক সময়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারেন, তাহলে কিন্তু বিপদ। সেক্ষেত্রে মনে রাখার ক্ষমতা এতটাই কমে যাবে যে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হতে শুরু করবে। স্ট্রেস তো থাকবেই, তাহলে উপায়? প্রতিদিন কম করে ৩০ মিনিট সময় বই পড়ুন। এমনটা করলেই দেখবেন স্ট্রেস কমবে, অন্যদিকে স্মৃতিশক্তি আরও মজবুত হবে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে
বই পড়ার সময় ব্রেনের মধ্যে থাকা হাজারো নিউরন বেশি বেশি করে কাজ করতে শুরু করে দেয়। ফলে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। আর এমনটা হলে একদিকে যেমন বুদ্ধির বিকাশ ঘটে, তেমনি নানা ধরনের ব্রেন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

মানসিক শান্তি মেলে
সারা দিন কাজের পর ৬০-৭০ শতাংশ মানুষই মন-মেজাজ ভাল করতে টিভি দেখে থাকেন। কিন্তু তাতে কি সত্যিই মন শান্ত হয়? গবেষণা তো উল্টো কথা বলছে। বিজ্ঞানের কথা যদি শোনেন, তাহলে মন এবং মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর করতে টেলিভেশনের পরিবর্তে বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতান। দেখবেন বেশি উপকার পাবেন। তাছাড়া টিভি দেখলে শরীরের কোনো উপকার হয় না, যা বই পড়লে হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..