× Banner
সর্বশেষ
আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস আজ বুধবার (২২ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ২২ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী

লেখিকা কামিনী রায়ের ১৫৫ তম জন্মদিবস

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার আশীর্বাদ-অভিশাপ।

১২ অক্টোবর ১৮৬৪ সালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ জেলার বাসণ্ডা গ্রামে কামিনী রায় জন্ম গ্রহন করেন। আজ ১২ অক্টোবর ২০১৯ তার ১৫৫ তম জন্মতিথি।

কামিনী রায় তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিত্ব। কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে তিনি ১৮৮৬ সালে সংস্কৃত ভাষায় স্নাতক সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন। কৈশোরেই কামিনী রায় সাহিত্য রচনা শুরু করেন এবং কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটান। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তার প্রথম কাব্য ‘আলো ও ছায়া’ (১৮৮৯) প্রকাশিত হয়। তিনি সেসময় ‘জনৈক বঙ্গমহিলা’ ছদ্মনামে লিখতেন। তার লেখা কাব্যের মধ্যে ‘নির্মাল্য’, ‘পৌরাণিক’, ‘মাল্য ও নির্মল্য’, ‘দীপ ও ধুপ’, ‘জীবন পথে’ ও ‘শ্রাদ্ধিকী’ উল্লেখযোগ্য। অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত ‘মহাশ্বেতা’ ও ‘পুণ্ডরীক’ তার দু’টি প্রসিদ্ধ দীর্ঘ কবিতা।

এছাড়াও ১৯০৫ সালে তিনি শিশুদের জন্য ‘গুঞ্জন’ নামের কবিতা সংগ্রহ ও ‘বালিকা শিক্ষার আদর্শ’ নামের প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেন। তার কবিতা পড়ে বিমোহিত হন সিবিলিয়ান কেদারনাথ রায় এবং তাকে বিয়ে করেন।

নিজে লেখা ছাড়াও কামিনী রায় সবসময় অন্য সাহিত্যিকদের ও উৎসাহ দিতেন। ১৯২৩ খ্রীস্টাব্দে তিনি বরিশাল সফরে গিয়ে  সুফিয়া কামালের  সাথে পরিচয় হয়। তিনি সুফিয়া কামালকে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করতে বলেন। ১৯২৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কামিনী রায়কে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক দেয়।

তিনি ১৯৩০ সালে বঙ্গীয় লিটারারি কনফারেন্সের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৩২-৩৩ খ্রীস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদেরও সহ-সভাপতি ছিলেন কামিনী রায়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..