× Banner
সর্বশেষ
নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন ঠাকুরগাঁও থেকে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী মাদারীপুরে গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার মধুখালীতে দুদকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর পরিদর্শন মধুখালীতে বেড়াতে এসে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজারের মৃত্যু পাইকগাছার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে আমুরকাটা বয়ারঝাপা সড়ক সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে -তথ্য উপদেষ্টা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু  সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক

খুলনায় বাসের পাশাপাশি লঞ্চ চলাচল বন্ধ

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২
ডুবে যাওয়া লঞ্চ এমএল আফসার উদ্দিনকে উদ্ধার

খুলনায় দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও খুলনা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এই ধর্মঘট ডেকেছে। এরই মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে লঞ্চ চলাচলও। বেতন বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবিতে এ ধর্মঘট ডেকেছে নৌ-যান শ্রমিকরা।

আজ শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সকাল থেকে খুলনা লঞ্চ টার্মিনাল থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। ফলে খুলনা থেকে দক্ষিণ দিকে (দাকোপ, কয়রা, সাতক্ষীরা) যাওয়ার সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ধর্মঘটের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ১০ দফা দাবিতে তারা যাত্রীবাহী লঞ্চে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট শুরু করেছেন। দাবি মেনে নেওয়া হলে যেকোনো মুহূর্তে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে। এর সঙ্গে বিএনপির সমাবেশের কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে বাস ধর্মঘটের কারণে খুলনায় কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারছে না। খুলনা থেকে কোনো যানবাহন ছেড়ে যাচ্ছে না। ফলে খুলনার সঙ্গে ১৮টি রুটের বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে দূর-দূরান্তের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

বিশেষ করে সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী নিয়োগ পরীক্ষা দিতে আসা ব্যক্তিদের ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি। সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল থেকে ইজিবাইক, ভ্যানে করে খুলনায় এসেছেন তারা। ছুটির দিনে যারা খুলনা বা এর আশাপাশের জেলায় বেড়াতে যেতে চেয়েছিলেন, তারাও যেতে পারেননি।

এদিকে বিএনপির দাবি, শনিবার (২২ অক্টোবর) খুলনার সোনালী ব্যাংক চত্বরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ রয়েছে। ওই গণসমাবেশ বানচাল করতে এবং বিপুল মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

এসব অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন বাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন। তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশে বাস বন্ধ করার অভিযোগ সঠিক নয়। মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এই ধর্মঘট করছেন। এছাড়া সমাবেশকে ঘিরে বাস ভঙচুর হতে পারে বলেও আশঙ্কা ছিল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..