× Banner
সর্বশেষ
মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব – আইনমন্ত্রী মোবাইল নয়, শিশুদের ফিরতে হবে খেলার মাঠে – ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বাস্তবসম্মত পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে সরকার বদ্ধপরিকর – স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা ওয়াইকো’র পর্যবেক্ষক হলো বাংলাদেশ চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন – তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও একজোড়া ট্রেন চালু হবে চলতি মাসে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল – মাহ্দী আমিন বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বজনীন মানবতাবাদী দর্শন অপরিহার্য – তথ্যমন্ত্রী মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে – ত্রাণমন্ত্রী

ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র–পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক: কৌশল নাকি ভুল হিসাব?

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র–পাকিস্তান সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে United States ও Pakistan-এর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু বিশ্লেষণে দাবি করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন এখনও ইসলামাবাদকে আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

একজন ইসরায়েলি বিশ্লেষকের উদ্ধৃতি দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হয়েছে, পাকিস্তান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি অনানুষ্ঠানিক বার্তা দিয়ে আসছে—তাদের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ না করলে তারা আঞ্চলিক সংকট ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে। যদিও এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ সীমিত, তবুও বিষয়টি নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনা তৈরি করেছে।

বিশেষ করে Iran-কে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানকে একটি সম্ভাব্য যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে দেখার বিষয়টি সামনে এসেছে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন। তবে এ সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কূটনৈতিক পদক্ষেপ বা চুক্তির বিষয়ে প্রকাশ্য কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় থেকে শুরু করে Afghanistan যুদ্ধ এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একইসঙ্গে, বিভিন্ন সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবিশ্বাস ও মতবিরোধও লক্ষ্য করা গেছে।

অন্যদিকে, India-র সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার হয়েছে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেলেও, ওয়াশিংটনের দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে পাকিস্তান এখনও একটি প্রাসঙ্গিক ফ্যাক্টর হিসেবে রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র একাধিক আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক বজায় রেখে তার কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করছে। ফলে ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশকেই ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের নীতি অব্যাহত থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয় বৃদ্ধি জরুরি। অন্যথায়, বহুমুখী কৌশলগত প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..