× Banner
সর্বশেষ
বাবরি মসজিদ তদন্ত কমিশনের প্রধান বিচারপতি মনমোহন সিং লিবারহানের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবার ঊর্ধ্বমুখী বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ‘চুক্তি করুন না হলে আত্মসমর্পণ’ -ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন করে প্রাণহানি, দুই দেশেই হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত নেপালে ধর্মীয় উত্তেজনা: সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো দাবিগুলোর বাস্তবতা ভোর থেকে ঢাকায় বৃষ্টি, তাপমাত্রা কিছুটা কমার আভাস আজ ১৮ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

যশোর আদালতে মালখানার অভাবে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬

ই.আর.ইমন,যশোরঃ আইনী জটিলতায় মামলা নিষ্পত্তির অভাবে যশোর আদালতের কোটি টাকার মামলার আলামত নষ্ট হচ্ছে। বছরে পর বছর খোলা আকাশের নিচে ও মালখানায় ফেলে রাখার ফলে নষ্ট হচ্ছে এসব সম্পদ। কিন্তু এ ব্যাপারে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। বিচার বিলম্ব ও মালখানার অভাবে খোলা আকাশের নিচে থেকে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা মূল্যবান গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। একই সাথে মালখানায় রাখা অন্যান্য জিনিস উই পেকার পেটে চলে যাচ্ছে অনায়াসে। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখের সামনে কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়ে গেলেও বিচার বিভাগের নেই কোন পদক্ষেপ।

সূত্র মতে, যশোর আদালতের মামলার আলামত রাখার জন্য জায়গার অভাব দীর্ঘদিনে। এ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে কয়েক বছর আগে কালেক্টর চত্বরে মালখানা তৈরির প্রস্তাবনা দিয়ে জেলা প্রশাসনের মতামত চাওয়া হয়। তবে সেই উদ্যোগ খুব বেশি দূর এগোয়নি। ফাইল চালাচালির এক পর্যায়ে থমকে যায়। এতে বাধ্য হয়ে কালেক্টরেট ভবনে স্বল্প পরিসরের মালখানায় রাখা হয় শাড়ি-কাপড়, থ্রি-পিসসহ অন্যান্য পণ্য। আর বিভিন্ন সময় আটককৃত যানবাহন রাখা হয় কালেক্টর চত্বরের খোলা আকাশের নিচে। আইনশৃংখা বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে অবৈধ গাড়ি, ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য আটক করে মালিকের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। এই সব মামলার আলামত হিসেবে ওই পণ্য বা যানবাহন মালখানায় রাখার নিয়ম। সেই হিসেবে আলামত রাখা হলেও সংরক্ষণের অভাবে চোখের সামনে চুরি ও নষ্ট হয়ে যায় কোটি টাকার সম্পদ। কিন্তু এই মামলাগুলো দেড় থেকে দুই বছরে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকেলও ১৫ বছরে নিষ্পত্তি হয়নি এমন রেকর্ড আছে। এখানে বছরের পর বছর খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকতে থাকতে এক সময়কার দামী বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, নসিমন, করিমন, আলম সাধু, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে অনেক আগেই। অবশিষ্ট অংশ আগাছার আবরণে জড়িয়ে আছে। মাটির সাথে ধ্বংসাবশেষ মিশে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, জব্দকৃত মালামাল দ্রুত বিক্রি করা নিয়ে বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে অনেক সময় রশিটানাটানি হয়। ফলে এক বিভাগের আন্তরিকতা থাকলেও অপর বিভাগ বেঁকে বসে। আবার চোরাচালান মামলা নিষ্পত্তি হলেও মামলার রায় মালখানায় গিয়ে পৌছায় না। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে বাজেয়াপ্তকৃত মাল রেখে আসামিকে খালাশ দেয়া হয়। কিন্তু এই মামলার মালামাল দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করতে গিয়ে বিচারক পর্যায়ে জটিলতা দেখা দেয়। এতে নষ্ট হচ্ছে সম্পদ আর রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

এ ব্যাপারে মালখানার এসআই আবুল বাসার বলেন, তিন শতাধিক মামলার আলামত মালখানার অভাবে খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে। বেশ কিছু মামলা নিষ্পত্তি হলেও বেশিরভাগ বিচার কাজ শেষ হয়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..