× Banner
সর্বশেষ
তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ছাত্র আন্দোলনের চাপের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা ও সততার নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও স্মরণিকা মোড়ক উন্মোচন রাজনৈতিক বিতর্ক ছেড়ে কৃষি উদ্ভাবন ও উৎপাদনে জোর দিন: মির্জা ফখরুল চলতি মৌসুমে পাইকগাছার চারা শত কোটি টাকার চারা বিক্রির সম্ভাবনা ৬ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত গ্লোবাল এআই লিডারশিপ কনফারেন্স ২০২৬, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আহ্বান

মান্দায় ভার্কের খাল পুনঃখনন প্রকল্পে পুকুর চুরির অভিযোগ

ACP
হালনাগাদ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
মান্দায় ভার্কের খাল পুনঃখনন প্রকল্পে পুকুর চুরির অভিযোগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় বেসরকারি সংস্থা ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এর বাস্তবায়িত চারটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প কাজে পুকুর চুরির অভিযোগ উঠেছে।
খনন করা খালগুলোতে পাড় না বেঁধেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে টাকার বিনিময়ে মাটি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে খালপাড়ের অনেক স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে খালের স্থায়ীত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় লোকজন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে চকসাবাই, চকের বিল ও ঘোনা এবং ভারশোঁ ইউনিয়নের বিল উথরাইল (পৈতা) খাল পুনঃখনন কাজের জন্য দরপত্র আহবান করে বেসরকারি সংস্থা ভার্ক। দুটি প্যাকেজের মাধ্যমে খালগুলো খনন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) অর্থায়ন এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহায়তায় মান্দা উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পানিসম্পদ উন্নয়ন ও খালের নাব্যতা ফেরাতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ভার্ক।
গত ২৮ এপ্রিল এসব খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়। ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কোনো খালই সম্পূর্ণ খনন করা হয়নি। বৃষ্টির কারণে ইতোমধ্যে প্রকল্পভূক্ত খালগুলোতে পানি জমে যাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে প্রকল্পভূক্ত খালগুলো ঘুরে দেখা গেছে, চকসাবাই খালটি এক কিলোমিটার খনন করার চুক্তি থাকলেও খনন করা হয়েছে মাত্র ৫০০ মিটার। দায়সারভাবে খালের দুইধার কেটে মাটি ওপরে ফেলা হয়েছে। পাড় না বেঁধে সেই মাটি স্থানীয়দের মাঝে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ভার্ক অফিসের লোকজন।
এর মধ্যে সামান্য বৃষ্টিতেই খালপাড়ের বেশকিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাড় না থাকায় বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে ব্যাপক অনিয়মের মধ্য দিয়ে ঘোনা বিলের খালটির কাজ শেষ করা হয়েছে।
এছাড়া সামান্য খনন করেই চকের বিল এবং বিলউথরাই (পৈতা) খালটির খনন কাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে।
চকসাবাই গ্রামের বাসিন্দা মো. সেলিম অভিযোগ করে বলেন, চকসাবাই খালটি নামমাত্র খনন করে এস্কেভেটর মেশিন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। টাকার বিনিময়ে অফিসের লোকজন বিক্রি করে দিয়েছেন খাল পাড়ের মাটি। খালপাড়ে রাস্তা না থাকায় যাতায়াতে চরম প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা বাড়লে চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বলেন, ‘অফিসের লোকজন স্থানীয়দের মাঝে মাটি বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আমিও ৮ হাজার টাকার মাটি নিয়ে বসতভিটার আশপাশ ভরাট দিয়েছি।’
এ প্রসঙ্গে ভার্ক মান্দা উপজেলার প্রকল্প সমন্বয়ক আবু রায়হান বলেন, ইতোমধ্যে চকসাবাই ও ঘোনা খালের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টি ও সময় স্বল্পতার কারণে অপর দুটি খালের কাজ মাঝ পথে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। খাল পাড়ের মাটি বিক্রি ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বিল প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প সমন্বয়ক বলেন, কাজের ভিত্তিতে ঠিকাদারকে বিল দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..