× Banner
সর্বশেষ
তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ছাত্র আন্দোলনের চাপের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা ও সততার নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও স্মরণিকা মোড়ক উন্মোচন রাজনৈতিক বিতর্ক ছেড়ে কৃষি উদ্ভাবন ও উৎপাদনে জোর দিন: মির্জা ফখরুল চলতি মৌসুমে পাইকগাছার চারা শত কোটি টাকার চারা বিক্রির সম্ভাবনা ৬ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত গ্লোবাল এআই লিডারশিপ কনফারেন্স ২০২৬, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আহ্বান

মাদারীপুরে গণপূর্ত বিভাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ: সরকারের অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭

মাদারীপুর প্রতিনিধি।। মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অমিয়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তারা বলে জানিয়েছে একাধিক ঠিকাদার। এতে সরকারের বিপুল পরিমান আর্থিক ক্ষতি সম্মুখিন হওয়ার আশঙ্কার করছে মাদারীপুরবাসী।

মাদারীপুর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর জেলা কারাগারের মেডিকেল সেন্টার নির্মাণ কাজের জন্য গত বছরের ২২ আগষ্ট ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার দরপত্র আহবান করে। এসময় ২২টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিডিউল ক্রয় করে এবং টেন্ডর ড্রপের দিন ৮টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টেন্ডার ড্রপ করে। এর মধ্যে রাজশাহীর ব্রাদার্স কনস্ট্রাকশন সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ১ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা দরধার্য করে টেন্ডার ড্রপ করে। এরপরে মাদারীপুর গণপুর্ত বিভাগের (টিইসি) দরপত্র মুল্যায়ন কমিটি ৮টি টেন্ডার যাচাই বাচাই করে বরিশাল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে প্রেরণ করে। দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির যাচাই বাচাইকৃত সবগুলো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল নয় ঘোষণা করে দরপত্র বাতিল করে এবং পুনরায় দরপত্র আহবানের নির্দেশ প্রদান করে। পিপিআর বিধান মোতাবেক সর্বনিম্ম দরদাতা কোনো কারনের অযোগ্য ঘোষিত হলে ২য় সর্বনি¤œ দরদাতাকে নির্মাণ কাজটি প্রদানের নিয়ম রয়েছে। এভাবে ২য় সর্বনিম্ন দরদাতা অযোগ্য ঘোষিত হলে এরপরের জনকে কাজ প্রদানের নিময় থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ৮টি দরপত্রই বাতিল করে। এতে করে ঠিকাদারদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই দরপত্র বাতিল করার কারনে সরকার বিপুল পরিমান আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনুচ্ছিক একাধিক ঠিকাদারদের অভিযোগ করে জানান, মাদারীপুরের স্থানীয় এক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের স্টিমিটার মিজানুর রহমান, ইন্স্যুক্লের্ক জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে স্থানীয় এক ঠিকাদারের জোকসাজসে দরপত্র বাতিল করে পুনরায় দরপত্র আহবান করে। দ্বিতীয়বার আহবানকৃত দরপত্রে ৩৭টি সিডিউল বিক্রি হলেও টেন্ডার ড্রপের দিন মাত্র ৩টি সিডিউল ড্রপ করা হয়। টেন্ডারে অংশ গ্রহনকারী নবারুন এন্টারপ্রাইজ এবং শেখ এন্টারপ্রাইজ ১ কোটি ৬৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ২শ টাকা মুল্য নির্ধারন করে টেন্ডার ড্রপ করে। এছাড়াও হামিম ইন্টারন্যাশনাল ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ৩১ হাজার ১৮৬ টাকা মূল্য নির্ধারন করে টেন্ডার ড্রপ করেন। প্রথমবার আহবানকৃত দরপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়বার আহবান কৃত দরপত্রে ৫০ লক্ষ বেশি খরচ হবে সরকারের। মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের স্টিমিটার মিজানুর রহমান, ইন্স্যুক্লের্ক জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী অনিয়মের সাথে তাদের সংশ্লিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন

এ ব্যাপারে মাদারীপুর গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সালেহ মোহাম্মদ ফিরোজ এই টেন্ডার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সার্কেল অফিস ভালো বলতে পারবে, আমি নতুন এসেছি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..