× Banner
সর্বশেষ
ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারি আটক শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ ম্যান-মেড ফাইবার পোশাক: বৈশ্বিক বাজারের ১২ শতাংশ দখল করতে পারে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন হবে – আইনমন্ত্রী আইসিইউতে লড়ছেন মা,বাঁচানো গেল না গর্ভের সাত মাসের সন্তানকে জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নাগরিক সেবার কার্যক্রম দেখতে ঢাকার সড়কে প্রধানমন্ত্রী ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক; না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন-ফিটনেস ১৫ বছর আগের ১০০ টাকা ফেরত দিতে পাওনাদারের বাড়িতে বৃদ্ধ

ভারতের চটকল চাইছে বাংলাদেশের কাঁচা পাট

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে ভারত, যাতে বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাট রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে। এবছর ভারতে কাঁচাপাটের উৎপাদন কমে গেছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। তাই এ বছর ভারতের চটকলগুলি চালু রাখার জন্যই বাংলাদেশের কাঁচা পাট প্রয়োজন বলে সরকারিভাবে জানানো হচ্ছে। খবর বিবিসি।

বলা হচ্ছে, এইসব ব্যবস্থা না নিলে মার্চের পরে হয়তো অনেক চটকলই বন্ধ হয়ে যাবে সাময়িকভাবে। ভারতের জুট কমিশনার সুব্রত গুপ্ত বলেছেন, ঢাকায় ভারতের দূতাবাসকে জানিয়েছে যাতে তারা বাংলাদেশকে কাঁচাপাট রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে অনুরোধ করে।

বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা ভারতের চটশিল্পের ওপরে একটা বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন শিল্পপতি সঞ্জয় কাজারিয়া।

কাজারিয়া বলেছেন, “এটা দেশের পাটশিল্পের ওপরে একটা বড় ধাক্কা। এবছর দুই দেশেই ফসল মার খেয়েছে, কাঁচাপাটের উৎপাদন কম হয়েছে। সেজন্যই বাংলাদেশকে রপ্তানির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হয়েছে যাতে তাদের দেশের চটকলগুলি চালু রাখা যায়।

তিনি আরো বলেছেন, যদিও ভারত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে অনুরোধ করেছে, সেটা কতটা মানবে বাংলাদেশ – তাতে সন্দেহ রয়েছে।

আর এক শিল্পপতি ঘণশ্যাম সারদা অবশ্য মনে করেন, “বাংলাদেশ যেমন নিজেদের শিল্পকে বাঁচানোর জন্য কাঁচাপাট রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে, শুধু তৈরী বস্তাই তারা রপ্তানী করতে চায়, তেমনি ভারতেরও উচিৎ বাংলাদেশ থেকে চটের বস্তা আমদানির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা।”

প্রসঙ্গত, ভারতের পাট ব্যবসায়ীদেরও এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতি হতে চলেছে। অন্যদিকে কাঁচামালের যোগান কম থাকা স্বত্ত্বেও যাতে চটকলগুলি পরবর্তী ফসল না ওঠা পর্যন্ত চালু রাখা যায়, তার জন্য উৎপাদন কম করা, কাঁচামাল মজুত রাখার নতুন সীমা নির্ধারণ সহ বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত সরকার।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..