× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

বেনাপোল সোনালি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যর অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৭

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল স্থল বন্দরে অবস্থিত সোনালী ব্যংকের নামে পুর্নাঙ্গ অনলাইন সুবিধা,দুর্বল সিসি ক্যামেরা সহ ঘুষ বানিজ্যর অভিযোগ করেছে আমদানি রফতানি ব্যাবসার সাথে জড়িত একাধিক ব্যাবসায়ি প্রতিষ্ঠান।

সুত্র জানায়, আমদানি রফতানির শুল্ক চালানের টাকা জমা দিতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে প্রতি চালানে ঘুষ দিতে হয়। ঘুষের টাকা না দিলে কর্তৃপক্ষ চালান জমা নেয় না । চালান প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ শত টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রতিদিন বেনাপোল স্থল বন্দরের আমদানি রফতানি ও ডিএমএর প্রায় ২ শতাধিক চালান জমা হয়। আর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জোর পুর্বক অর্থ আদায় করতে থাকে। কেউ ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে তাকে হয়রানি করতে থাকে। চালান জমা না নিয়ে তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্ত ভোগিরা।

অপরদিকে সরকারি এ ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা আমদানি রফতানির টাকা সহ অন্যান্য টাকা লেনদেন হয়। অত্যান্ত ঝুকি নিয়ে ব্যাবসায়িরা ব্যাংকে টাকা জমা দেয়। ব্যাংকের দুর্বল সিসি ক্যামেরায় ভাল কোন কিছু বোঝা যায় না। তারপর পুর্নাঙ্গ অনলাইন ট্রানজেকশন সুবিধা না থাকায় ব্যাবসায়িরা পড়ছে বিপাকে। বেনাপোল থেকে আমদানি রফতানি বানিজ্য থেকে এ ব্যাংক সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় একটি ভুমিকা রাখলে ও গ্রাহকদের সুযোগ সুবিধার ব্যপারে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছে না। অথচ ডিজিটাল সময়ে সরকার একটি গুরুত্ব পুর্ন ব্যাংকের এ অবস্থায় হতাশায় ভুগছে গ্রাহকরা।

ঢাকার পাসপোর্টযাত্রী রুখসানা, আমেনা, রুবেল, জুবায়ের জানান, আমরা ডিএম এর পন্য কাষ্টমস থেকে আনুষ্ঠানিক কাজ শেষে ব্যাংকে ট্র্যাক্সের টাকা জমা দিতে গেলে ব্যংক কর্তৃপক্ষ জোর করে প্রতিজনের নিকট থেকে ২০০ শত করে টাকা নিয়ে টাকা জমা নেয়।
বেনাপোল সোলালী ব্যাংকের সামনে কয়েকবার ছিনতাইয়ের মত ঘটনা ঘটেছে এবং আমদানি পন্যর লাখ লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে ছিনতাইকারিরা।

বেনাপোল সোনালী ব্যংকের ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন সারাদেশে ১ হাজার ২ শত ৪টি সোনালী ব্যংকের শাখা আছে। সোনালি ব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বানিজ্যক ব্যাংক এবং সর্বোচ্চ গ্রাহক সুবিধায় সোনালী ব্যাংক সুবিধা দিয়ে থাকে।

ঘুষের ব্যাপারে ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা এখানে কোন ঘুষ নেই না তবে আগে এখানে ষ্টাফ ছিল ৩০ জন। বর্তমানে ১৫ জন ষ্টাফ কাজ করছে। অতিরিক্ত কাজ করায় এবং সকাল থেকে সারাদিন কাজ করায় আমদানি কারকদের প্রতিষ্ঠান কিছু নিজেরা সন্তুষ্টি হযে দিয়ে যায়। আমি ও গুলো দেখি না। আপনাদের সরকার বেতন দেয় তবে কেন এ কাজ আপনারা করেন এরকম প্রশ্নে তিনি বিব্রত বোধ করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..