× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তিতে ঠাকুরগাঁও শহরবাসী

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৩ মে, ২০১৬

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ঠাকুরগাঁও শহরবাসী। মিটার রির্ডাররা বাড়ি এসে মিটার দেখে বিল না করায় প্রতিমাসে ব্যবহার করা ইউনিটের চেয়ে বেশি বা কম হারে বিল পরিশোধ করছেন গ্রাহকরা। ফলে অতিরিক্ত বিল পরিশোধে বাধ্য হচ্ছেন তারা। গত দুই মাসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক গ্রাহক এ সমস্যার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে বর্তমানে ২৬ হাজার গ্রাহক আছে পৌরসভায়। তার বিপরীতে সরকারীভাবে মিটার রির্ডার ৩ জন। তাই এই ৩ জন দিয়ে এত মিটার দেখা সম্ভব নয় বলে জানান বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা।

গ্রাহকদের অভিযোগে জানা যায়, বিদ্যুৎ বিলের কাগজে লেখা ইউনিটের সঙ্গে মিটারের ইউনিটের কোনো মিল পাওয়া যায় না। যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় তার চেয়ে বিলের টাকার পরিমাণ অনেক সময় বেশি লেখা থাকে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ করা হলেও লাইনম্যান মিটার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার উপক্রম হয়েছে। আদৌ কোনো বিল রিডার গ্রাহকদের মিটার দেখে বিল লিখেন না বলেও জানা যায়।

এছাড়াও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, মিটার রিডারকে টাকা দিলে তারা প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল কম করে দেয়। বিভিন্ন বাড়িতে অটো চার্জার চার্জের জন্যও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতেও সহযোগিতা করে থাকে এসব মিটার রিডাররা। আবার মিটার রির্ডার কম হওয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত রির্ডাররা তাদের সহযোগিতার জন্য নিজ উদ্যোগে মিটার রির্ডারের নিয়োগ দিয়ে থাকে।

ঠাকুরগাঁও হাজিপাড়ার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম জানান, মিটার রিডাররা মিটার দেখে ইউনিট না লেখায় সারা বছরের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ইউনিটের অবশিষ্ট ইউনিটগুলো গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের কাগজে তুলে দেয়া হয়। হঠাৎ করে বেশি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসায় গ্রাহকদের চোখ কপালে উঠে যায়।

ঠাকুরগাঁও আশ্রমপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনসুর আলী জানান, মিটার রির্ডাররা মিটার না দেখে বিল দেয়। তাই দেখা যায় কোন মাসে বিল কম আসে আবার কোন মাসে বেশি আসে। এতে বিল দিতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়।

ঠাকুরগাঁও বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ উপ-প্রকৌশলী মুক্তা মনি জানান, আমাদের লোকবল খুবই কম। প্রতি মাসে মিটার দেখে মিটার রিডারদের ইউনিট লিখার নিয়ম থাকলেও সেটা অনেক সময় সম্ভব হয় না। সে কারণে অনুমান করে বিদ্যুৎ বিলের কাগজে ইউনিট লিখা হয়। এতে কম বেশি হতে পারে। কোনো গ্রাহকের এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকলে তারা অফিসে আসলে বিলের কাগজ ঠিক করে দেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..