× Banner
সর্বশেষ
মালয়েশিয়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও হালাল মাংস রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা জামায়াত কর্মী বেনাপোলে জেলা যুবদল নেতা ইমদাদের ব্যাপক গণসংযোগ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি জাপানি বিনিয়োগকারীদের ৩০০ কোটির আঞ্চলিক বাজারে প্রবেশের আহ্বান ববি হাজ্জাজের ৫ আগস্ট উদ্বোধন জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত বগুড়ায় জমি বিরোধ; সাবেক সেনাসদস্যকে পিটিয়ে হত্যা পররাষ্ট্র-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকা নিহত

বাংলাদেশে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১৮

চীন ও ইন্দোনেশিয়ার পর বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর। এই বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে কয়েক বিলিয়ন ডলার। এরই মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীদের চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ৫০০ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আগামীতে আরও ২ হাজার একর জমি তাদের দেয়া হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশে সফররত সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘সিঙ্গাপুর বিজনেস ফেডারেশন’-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

এ সময় সিঙ্গাপুর বিজনেস ফেডারেশনের ডেপুটি মিশন লিডার ও সিঙ্গাপুর ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর ভাইস চেয়ারম্যান প্রসুন মুখার্জী, বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুর’র সভাপতি শহীদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা ১০০টি বিশেষ বিনিয়োগ জোন করতে যাচ্ছি। এসব জোনে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আমরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সিঙ্গাপুরকে ৫০০ একর জমি দিচ্ছি। পরে আরও ২ হাজার একর জমি দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। স্বাধীনতার পরপরই সিঙ্গাপুর আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন ডলার। সিঙ্গাপুর ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের প্রধান প্রসুন মুখার্জী এসময় বলেন, এ জোনে বিনিয়োগের পরিমাণ এখনও ঠিক হয়নি। তবে কয়েক বিলিয়ন ডলারের হবে। এ কাজ সম্পূর্ণ হতে ১২ বছর লাগবে। কেবল জমি উন্নয়ন করতেই তিন বছর লাগবে। প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিশেষ করে বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কঠোর পরিশ্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন বাংলাদেশ বিজসেন চেম্বার অব সিঙ্গাপুর-এর প্রেসিডেন্ট মো. শহিদুজ্জামান, সিঙ্গাপুর বিজনেস ফেডারেশনের সহকারি নির্বাহী পরিচালক কোডি লি, এন্টারপ্রাইজেস সিঙ্গাপুরের জ্যেষ্ঠ উন্নয়ন সহযোগী সাবরিনা হো এবং ডিবিএস ব্যাংক অব সিঙ্গাপুরের ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইস অ্যালেজান্ডার গুনারত্নে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..