× Banner
সর্বশেষ
ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ আগস্ট যেভাবে হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’

বাংলাদেশ সব সময় জাপানকে পাশে পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৯

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশ সব সময় বিশ্বস্ত বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে জাপানকে পাশে পেয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা বাংলাদেশে অনেকগুলো রূপান্তরমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছি। আর তার স্বপ্ন পূরণে আমরা সব সময় জাপানকে বিশ্বস্ত বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে পাশে পেয়েছি।’

টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের বাসভবনে আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হওয়া দ্বিপক্ষীয় আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, এটা ছিল গভীর আন্তরিকতা, বোঝাপড়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ।

‘আমরা দুই দেশের মধ্যে গভীরতর সহযোগিতা প্রসারে একসঙ্গে কাজ করতে একমত হয়েছি। আমরা সহযোগিতার জন্য বেশ কিছু নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছি। এগুলো আমাদের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরো গতিশীল করবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী। সেইসঙ্গে আমরা ৪০তম ওডিএ ঋণ প্যাকেজ সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তিনি বুধবার সকালে বাংলাদেশে ব্যবসা করা নেতৃস্থানীয় জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নেন। তিনি জানান, সহযোগিতার আরো সম্প্রসারণ এবং নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে দুই দেশের স্পষ্ট ইচ্ছে দেখে তিনি ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হয়েছেন। ‘আমাদের ব্যবসায়ী নেতারাও এ ইচ্ছে পোষণ করেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, জাপানে আসা তাঁর জন্য সব সময়ই আনন্দের। ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমার ছোট বোন এবং সবচেয়ে ছোট ভাইকে নিয়ে ১৯৭৩ সালে জাপান সফর করেছিলেন। তারা সফরের আনন্দদায়ক স্মৃতি এবং জাপানের মানুষের ভালোবাসা ও মমতা নিয়ে ফিরেছিলেন। তখন থেকে প্রতিবার আমার জাপান সফরের সময়, প্রিয় পিতা ও ছোট ভাইবোনদের ওপর থাকা জাপানের উষ্ণ আবেগ ও অনুভূতির কথা আমাকে মনে করিয়ে দেয়,’ যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, ছোটবেলায় জাপানি পুতুল, ভিউ কার্ড, ডাকটিকিট, ক্যালেন্ডার, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য জিনিস তিনি জমিয়ে রাখতেন।

জাপান সফর থেকে পাওয়া সব মধুর স্মৃতি ও উষ্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নিজের হৃদয়ের গভীরে রেখে দেবেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব সময় আমাদের সাথে থাকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানাই।’ তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও তাঁর স্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..