× Banner
সর্বশেষ
মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব – আইনমন্ত্রী মোবাইল নয়, শিশুদের ফিরতে হবে খেলার মাঠে – ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বাস্তবসম্মত পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে সরকার বদ্ধপরিকর – স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা ওয়াইকো’র পর্যবেক্ষক হলো বাংলাদেশ চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন – তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও একজোড়া ট্রেন চালু হবে চলতি মাসে – রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল – মাহ্দী আমিন বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বজনীন মানবতাবাদী দর্শন অপরিহার্য – তথ্যমন্ত্রী মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে – ত্রাণমন্ত্রী

বাঁচার আশায় কোমরে দড়ি বেঁধে ঝুললেন বুর্জ খলিফা এক ঘণ্টা

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২ জানুয়ারী, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এমন এক অভিজ্ঞতা, যা সারা জীবন মনে থেকে যাবে তার। সুখের নয়, ভয়াবহ। বিধ্বংসী আগুন তখন তার থেকে আর কয়েক মিনিটের দূরে। আর বাঁচার আশায় কোমরে দড়ি বেঁধে ব্যালকনি দিয়ে ঝুলে রয়েছেন তিনি। উদ্ধারকারী দলের চেষ্টায় আগুনের গ্রাস হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন বটে। তবে ঝলসে গেছে তার ভেতরটা। সেই রাতের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এখনো কেঁপে কেঁপে উঠছেন তিনি।

নতুন বছর শুরু হতে তখন আরো কিছুটা সময় বাকি। বুর্জ খলিফার পাশে যে বহুতল হোটেলে আগুন লেগেছে, তিনি তখন তার ৪৮ তলায় দাঁড়িয়ে। নতুন বছরের আনন্দকে ক্যামেরাবন্দি করার জন্য। পেশার তাগিদে। সঙ্গে ছিল এক বন্ধু। দুজনই সাংবাদিক।

নতুন বছরে বুর্জ খলিফাকে ঘিরে যে আলো এবং উৎসবের বন্যা হওয়ার কথা, সেটাই ক্যামেরাবন্দি করতে গিয়েছিলেন দুজনে। যে হোটেলে আগুন লাগে, তারই ৪৮ তলায় উঠেছিলেন। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন। কখন যে নিচ থেকে চুপিসারে বিধ্বংসী আগুন তাদের দিকে ছুটে এসেছে, একবারের জন্যও টের পাননি তিনি। বন্ধুই প্রথম দেখতে পান। আর দেখেই চিৎকার করে সাবধান করেন তাকে। বন্ধু ছুটে বেরিয়ে গেলও আটকে পড়েন তিনি। ততক্ষণে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেছে। উপায় না দেখে নেমে পড়েন ব্যালকনিতে। বুঝেছিলেন এতে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘর ছাড়িয়ে সেই আগুন ব্যালকনিতেও এসে পড়বে। পাশেই ঝুলছিল শক্তপোক্ত দড়ি। সেই দড়ি কোমরে বেঁধে ঝুলে পড়েন তিনি। এই দড়ির সাহায্যেই ওই বহুতলটিকে বাইরে থেকে পরিষ্কারের কাজ করেন কর্মীরা।

এরপর…প্রতিটা মুহূর্ত তার কাছে ঘণ্টার মতো কাটছিল। চিৎকার করছিলেন। কিন্তু শুনবে কে? এক ঘণ্টা এভাবেই ঝুলে ছিলেন তিনি। ভেবেই নিয়েছিলেন নতুন বছরের সকালটা তার আর দেখা হবে না। তাই চোখ বন্ধ করে শুধু প্রিয়জনদের কথাই ভাবছিলেন। কখন যে উদ্ধারকারী দল এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে গেছে, মনে ছিল না সে কথাও। জ্ঞান যখন ফিরল তখন হাসপাতালে। চারদিকে সাংবাদিকদের ভিড়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..