‎পাইকগাছায় আমন ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 

‎পাইকগাছায় আমন ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 
‎পাইকগাছায় আমন ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 
‎পাইকগাছায় রোপা আমন ধানের চারা রোপন পুরাদমে এগিয়ে চলেছে। কৃষকরা আমনের আবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাঁটাচ্ছে। আমন ধান চাষ মূলত পুরোপুরি বৃষ্টিনির্ভর, তাই সময়মতো বৃষ্টি আমন আবাদে বড় ধরনের আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করে।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ফসলি জমিতে পানি জমেছে। বৃষ্টির এই সুফল কাজে লাগিয়ে কৃষকরা আমন চাষে মনোযোগী হয়ে উঠেছেন। এই ভারি বৃষ্টি যেন আমন চাষিদের স্বপ্নে আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।
‎জলবায়ু পরিবর্তন ও আবহাওয়া জনিত কারণে উপকূল এলাকায় কৃষির মৌসুম দেরিতে শুরু হয়। লবণাক্ত উপকূল এলাকার পানি ও মাটি আমন চাষের জন্য লবনমুক্ত তৈরী করতে কিছুটা সময় বেশি লাগে। মাটি থেকে অতিরিক্ত লবণ দূর করে চাষ উপযোগী ও লবণমুক্ত হলে চারা রোপন করা হয়।
তাছাড়া মৎস্য লীজ ঘের গুলো কিছুটা নিচু হওয়ায় আমন চাষের উপযোগি করতে আরো বেশি সময় লাগে। সে কারণে উপকূলের এ অঞ্চলে কৃষির আবাদ অন্যান্য এলাকা থেকে ২০ থেকে এক মাস পরে আবাদ শুরু হয়।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ৩৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আমন আবাদের জন্য ৭২৬ হেক্টর বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষকরা জমি তৈরি ও চারা রোপন নিয়ে ব্যস্ত দিন পার করছে। উপজেলার গদাইপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল বলেন, বৃস্টির কারণে আউশ ধান কাটতে দেরী হওয়ায় আমনের চাষও দেরিতে শুরু হয়েছে। গোপালপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল বলেন, এলাকায় চাহিদার তুলনায় ধানের চারা কম থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অধিক মূল্য দিয়ে ধানের চারা ক্রয় করতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, উপকূলের পাইকগাছা অঞ্চলের চাষাবাদ কিছুটা আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। সে জন্য অন্য এলাকার তুলনায় এ এলাকার কৃষি কাজ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমনের আবাদ ভাল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
লেখক / প্রতিবেদক

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।