পর্তুগালের সাধারণ নির্বাচনে বিজয় দাবি করেছে মধ্য ডানপন্থী ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এডি)। তবে জয়ের ব্যবধানে খুব সামান্য হওয়ায় এডির সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের সম্ভাবনা কম। নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ মধ্য ডানপন্থী ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এডি) ও মধ্য বামপন্থী সমাজতান্ত্রিক পার্টি (পিএস) প্রায় ২৯ শতাংশ করে ভোট পেয়েছে।
পিএসের চেয়ে সামান্য ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে এডি। নির্বাচনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কট্টর ডানপন্থী দল চেগা। ফলে চেগার সমর্থন ছাড়া এডি সরকার গঠন করতে পারবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এডির নেতা লুইস মন্টিনিগ্রো তার সমর্থকদের বলেছেন, পর্তুগিজরা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। যদিও এডির জয়ের ব্যবধান খুব সামান্য। নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন পিএসের নেতা পেদ্রো নুনো সান্তোস। তিনি বলেছেন, তারা বিরোধী দলের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন। তারা দলকে পুনর্জীবিত করবেন। পিএসের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট পর্তুগিজদের মন জয়ের চেষ্টা করবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারবিরোধী দল হিসেবে চেগার সঙ্গে চুক্তিতে যেতে পারলেই এডি দলের পক্ষে দেশ শাসন সহজ হবে। সাবেক শিক্ষানবিশ যাজক ও ফুটবলের বিশিষ্ট টিভি ধারাভাষ্যকার চেগার নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা এখন তাই আলোচনায়। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য কঠোর ব্যবস্থা, অভিবাসনের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং যৌন অপরাধ নির্মূল করার আহ্বান জানিয়েছেন। মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত চেগা দলটি ২০১৯ সালে পর্তুগালের ২৩০ আসনবিশিষ্ট পার্লামেন্টে তাদের দল প্রথম আসন লাভ করে। ২০২২ সালের নির্বাচনে দলটি তাদের আসন বাড়িয়ে ১২টি আসনে উন্নীত করেছে। এবার তাদের আসনসংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে।
সমাজতান্ত্রিক দলটির অধীন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও পর্তুগিজ ভোটাররা উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জনসাধারণের পরিষেবার অবনতি এবং আবাসন- সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন। এডি নেতা ৫১ বছর বয়সী আইনজীবী লুইস মন্টেনেগ্রো কর কমিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ও সেবা খাত উন্নত করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রচার চালিয়েছেন।




