× Banner
সর্বশেষ
হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাত ; হাসিনার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যে কথা হলো উপদেষ্টার শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ৫ আগস্ট ও ১৫ আগস্টকে ঘিরে কোন শঙ্কা নেই-খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মন্ত্রিসভায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন জ্বালানি সংকট নিরসনে ৩ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার অহেতুক প্রকল্প নয়, পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের প্রতিনিধিদলের পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘নীপা রানীর’ মরদেহ ইসলামী ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত নীলফামারীর হোসনে আরা লাইজুর (নীপা রানী) মরদেহ ইসলামী ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মৃত্যুর পর থেকে আইনি জটিলতায় চার বছরের অধিক সময় ধরে মর্গে আটকে থাকা নীপা রানীর লাশ অবশেষে জানাজার মাধ্যমে কবরে দাফন করা হবে।

রায়ের কপি পাওয়ার পর তিন দিনের মধ্যে মরদেহ দাফন করতে  নীলফামারীর জেলা প্রশাসককে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। হাকিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দাফনকাজ সম্পন্ন করতে হবে। দাফনের আগে হোসনে আরার (নীপা রানী) লাশ তাঁর বাবার পরিবারকে দেখার সুযোগ দিতে বলা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মেয়ের বাবার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সমীর মজুমদার। ছেলের বাবার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ কে এম বদরুদ্দোজা।

মামলার বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট এ কে এম বদরুদ্দোজা জানান, পারিবারিক জটিলতায় গত চার বছরের বেশি সময় হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে নীপা রানীর মরদেহ। এত দিনেও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় ২০১৪ সালের ১০ মার্চ থেকে নীপার মরদেহটি হাসপাতালের মর্গেই পড়ে আছে। ভালোবেসে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করার কারণে মরদেহ নিয়ে এমন আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে ছেলে ও মেয়ের পরিবার। মামলাটি বিচারিক আদালত ঘুরে হাইকোর্টে আসে। রংপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে মরদেহ হস্তান্তর করতে পারেনি।

আইনজীবী আরো জানান, ভালোবেসে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেন নীপা-লাইজু। এভাবেই কাটছিল লাইজু ও নীপা রানী ওরফে হোসনে আরার দিন। কিন্তু বাদ সাধে নীপার পরিবার। নীপা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাঁর পরিবার লাইজুর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করে।

এ মামলায় লাইজুকে নেওয়া হয় কারাগারে। নীপাকে রাখা হয় নিরাপত্তা হেফাজতে। পরে নীপাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেয় তাঁর পরিবার। লাইজুও জেল খেটে বের হন। কিছুদিন পর লাইজু বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন। নীপাও শোকে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন।

এরপর নীপার মরদেহ দাবি করে আদালতে মামলা করে দুই পক্ষই। এ মামলাটি নিম্ন আদালত ঘুরে উচ্চ আদালতে আসে। আজ উচ্চ  আদালত থেকে সিদ্ধান্ত আসে হোসনে আরার (নীপা রানী) মরদেহ ইসলামী ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন করতে হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..