নিউজ ডেস্কঃ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিরাজমান সমস্যাগুলো সমাধানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা ব্যানার্জি বলেন, গণতন্ত্রে বিরোধীদলেরও মর্যাদা আছে। দিল্লি দেশের রাজধানী। চার মাস ধরে এখানে উন্নয়নের কাজ থমকে রয়েছে। লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছয় সেকেন্ড সময় দেননি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। দূষণ বাড়লে ভুক্তভোগী হন সাধারণ মানুষই।
তিনি বলেন, চার মাস ধরে বিষয়টির সমাধান হচ্ছে না। রাজধানীতেই এই অবস্থা হলে দেশে কী হবে! উপ-রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছিলাম, আমরা অরবিন্দের সঙ্গে দেখা করতে চাই। মৌখিকভাবেই আমাদের আসতে মানা করলেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সন্ধ্যা থেকে ৩-৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। আমাদের সময়েরও দাম আছে। শুধু দিল্লি নয়, যেকোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই সমস্যায় পড়লে পাশে দাঁড়াবো।
উল্লেখ্য, দূষণ, উন্নয়ন কার্যক্রমসহ বিভিন্ন অচলাবস্থা কাটাতে এবং আইএএস অফিসারদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের দাবিতে সেখানকার উপ-রাজ্যপালের বাড়িতে ছয়দিন ধরে অনশন করছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
শনিবার কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ফিরে আসেন মমতা ব্যানার্জিসহ ভারতের চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে না পেরে কেজরিওয়ালের বাড়িতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এইচডি কুমারস্বামী, পিনরাই বিজয়ন ও চন্দ্রবাবু নাইডু।
এদিকে মোদির সমালোচনা করে এক টুইট বার্তায় কেজরিওয়াল বলেছেন, আমরা গণতান্ত্রিক দেশে বাস করি। তবে অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাধা দিতে পারেন কি প্রধানমন্ত্রী? রাজনিবাস কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটা ভারতের মানুষের।





