× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

নদী-খাল দখলদারদের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ হবে

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার জানিয়েছেন নদী রক্ষা কমিশনের প্রকাশিত প্রথম তালিকায় থাকা ৪৯ হাজার ১৬২ দখলদারকে উচ্ছেদে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ চালাতে প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারই প্রথম প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন মার্চের মধ্যে প্রকাশের কথা থাকলেও আর্থিক ও জনবল সংকটে দেরি হয়। মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ইতিমধ্যে সারা দেশের ৪৯ হাজার ১৬২ জন নদী ও খাল দখলদারের তালিকা ওয়েবাসাইটে প্রকাশ করেছি। তালিকা অনুযায়ী দখলদারদের উচ্ছেদে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছি। আশা করছি, ১ বছরের মধ্যে এসব দখলদার উচ্ছেদ হবে।

দখলদারদের দ্বিতীয় তালিকা তৈরি প্রসঙ্গে কমিশন চেয়ারম্যান বলেন- জেলা প্রশাসক, বিআইডব্লিউটিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে তথ্য চেয়েছি। কিছু কিছু তথ্য পেয়েছি। পুরো তালিকা পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করব। এতে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে।

বিদ্যমান ফৌজদারি কার্যবিধি এবং অন্যান্য আইনে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে মন্তব্য করে মুজিবুর রহমান বলেন, সিআরপিসির ১৩৩, ১৩৫ ও ১৩৯ ধারা অনুযায়ী নদী দখল ও দূষণ ফৌজদারি অপরাধ। পুলিশের কাজ হচ্ছে এসব ধারা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল মামলা করা ও ব্যবস্থা নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, নদী রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব তাদের চেয়ে জনগণ অনেক বেশি সচেতন। দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা সচেতন হলে দখল ও দূষণের হাত থেকে নদী বাঁচানো যাবে।

নদী রক্ষা কমিশন আইনের খসড়া করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, নদী রক্ষার কাজে যারা অসহযোগিতা করবে তাদের তলব করা বা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রাখার প্রস্তাব করব। এছাড়া নদী রক্ষায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল রাখার বিধান থাকবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নদী দখলকারীদের উচ্চ আদালত ব্যাংক ঋণ ও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য (সার্বক্ষণিক) মো. আলাউদ্দিন, পরিচালক জগন্নাথ দাস খোকন প্রমুখ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..