× Banner
সর্বশেষ
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয় পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ

ডেস্ক

আজ রামায়ণ রচয়িতা তুলসী দাস গোস্বামীর তিরোভাব দিবস

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
তুলসী দাস গোস্বামী

আজ রামায়ণ রচয়িতা তুলসী দাস গোস্বামীর তিরোভাব দিবস। ১৬২৩ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে ভারতের উত্তর প্রদেশে বানারসির অস্বীঘাট এ মহাপ্রয়াণ ঘটে। যদিও তার জন্ম তারিখ সঠিক জানা যায়নি। ১৪৯৭ অথবা ১৫৩২ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশে চিত্রকূট জেলার রাজাপুরে পিতা আত্মারাম দুবে ও মাতা হুলসী দেবীর সন্তান রূপে পৃথিবীতে আবির্ভাব ঘটে। আর ধারণা করা হয় যে, তিনি আগস্ট মাসের কোন একটা তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তুলসী দাস কে হিন্দি, ভারতীয় এবং বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে মনে করা হয় এবং তার সাহিত্যকর্মের প্রভাব ভারতের শিল্পকলা, সংস্কৃতি এবং সমাজে সুদূরপ্রসারী।

লোকোমুখে শোনা গল্প থেকে জানা যায় যে, তুলসীদাস ১২ মাস মায়ের গর্ভে থেকেছিলেন, তারপরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আবার এটাও জানা যায় যে, জন্মের সময় তার মুখে ৩২ টি দাঁতও ছিল। তার স্বাস্থ্য এবং চেহারা পাঁচ বছরের ছেলের মত ছিল। জন্মের সময় তিনি মোটেও কেঁদে ওঠেননি, তার পরিবর্তে রাম নাম উচ্চারণ করেছিলেন। জন্ম মুহূর্তে অশুভ লক্ষণের কারণ দেখিয়ে জন্মের প্রায় চার দিনের মাথায় সদ্যজাত কে পরিত্যাগ করেন তার বাবা মা। পরে এক চাকর এর কাছে তিনি প্রায় পাঁচ বছর কাটিয়েছিলেন। তারপর সেই চাকর মারা গেলে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ অনাথ হিসেবে তার দেখাশোনা করতেন। পরবর্তীতে জানা যায়, দেবী পার্বতী এই ব্রাহ্মণ রূপ ধারণ করে তাকে দেখাশোনা করতেন।

হিন্দু সন্ত, কবি, ধর্ম সংস্কারক ও দার্শনিক, রামানন্দের গুরু পরম্পরায় রামানন্দী সম্প্রদায়, রাম এর ভক্ত ছিলেন তুলসী দাস। একাধিক জনপ্রিয় গ্রন্থ রচনা করেছিলেন, তবে তিনি রামচরিত মানস মহাকাব্যের জন্য সবথেকে বেশি পরিচিত। এই গ্রন্থটি হল সংস্কৃত রামায়ণ মহাকাব্যের অবধি অনুবাদ।

তুলসী দাস তার জীবনের অধিকাংশ সময় বারানসি শহরে অতিবাহিত করেছিলেন। বারানসিতে গঙ্গা নদীর তীরে তুলসী ঘাট কিন্তু তারই নামকরণ অর্থাৎ তিনি এর নাম দিয়েছেন। বারাণসীতে সংকট মোচন হনুমান মন্দির তারই প্রতিষ্ঠিত অনুসারী।

জানা যায় যে, যেখানে এই মন্দিরটি তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেখানে তিনি হনুমানের দর্শন পেয়েছিলেন। রামলীলা নামে রামায়ণভিত্তিক লোকনাট্যের প্রচলন কিন্তু তুলসীদাস এর মাধ্যমেই হয়েছিল। জীবিত অবস্থায় তুলসী দাস কে মূল রামায়ণ মহাকাব্যের রচয়িতা বাল্মিকীর অবতার বলে মনে করা হতো। রামভক্ত হনুমানের জনপ্রিয় স্তোত্র হনুমান চল্লিশা ও তারই রচনা বলে মনে করা হয়।

তুলসী দাস গোস্বামীর রচিত বৈষ্ণব ধর্ম গ্রন্থ: রামচরিত মানস, বিনয়পত্রিকা, গীতাবলি, দোহাবলী, সাহিত্যরত্ন, হনুমান চালিশা, পার্বতী মঙ্গল, ইত্যাদি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..