× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

” টিলাগাঁওয়ে দীর্ঘকাল ধরে অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে সরকারি বাজার সেডঘর “

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০১৬

নয়ন লাল দেব, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁওয়ে সরকারি অর্থায়নে তৈরি হওয়া বাজার সেডঘর অব্যাবহত অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে অযত্ন আর অবহেলায়। প্রায় সতের বছর আগে ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থবছরে তৎকালিন সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের বরাদ্দে বাজার উন্নয়নের জন্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সাত শতক জমির উপর নির্মান করা হয় বাজার সেডঘরটি।

এই জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৪ লক্ষাধিক টাকা এবং সেডঘর নির্মানে ব্যায় ৪ লক্ষ টাকা, সব মিলিয়ে প্রায় ১৮ লক্ষাধিক টাকার সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে অযত্ন অব্যাবস্থাপনায়।সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় সেডঘরটি জনস্বার্থে বাজারের কাজে ব্যাবহার হওয়ার কথা থাকলেও তা ব্যাবহত হচ্ছে আশ পাশ বাড়ির গরু কিংবা খড় খুটো রাখার কাজে। যার দরুন ক্ষতিসাধনে আস্তে আস্তে ব্যাবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে এই সেডঘরটি।নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় টিলাগাঁও বাজারের বিভিন্ন রাস্তার পাশে ফুটপাতে অনেকটা যত্র তত্র সবজি ও মাছ বাজার বসায় ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ ক্রেতা এবং ব্যাবসায়ীদের।কিন্তু সরকারি বাজার সেডঘর থাকতেও কেন ব্যাবহার করা হচ্ছেনা তা নিয়েও দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউ পি সদস্য দেওয়ান চাঁন্দ আলী বলেন সেডঘরটি মূল জন সমাগমের অনেকটা বাইরে তৈরি করায় ব্যাবসায়ীরা সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন, তবে টিলাগাঁও বাজারের (একাংশ) সভাপতি ফরহাদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কাজল মিয়া জানান, কেন সেডঘরটি ব্যাবহার হচ্ছেনা এটা তাদের কাছেও অজ্ঞাত, তারা কয়েকবার এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উদ্যোগে সেডঘরে বাজার বসানোর পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেও জানান এবং উক্ত বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন তারা। টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালিকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি সম্পদ মানে এটা আমাদের সকলের, যেহেতু সেডঘরটি বাজারের ব্যাবহারের জন্য সরকার তৈরি করে দিয়েছে সেহেতু সকলের উচিত এটা ব্যাবহার করা, তিনি সকল ব্যাবসায়ীদের বুঝিয়ে সেডঘরে সবজি ও মাছ বাজার বসানোর উদ্যোগ নিবেন বলেও প্রতিবেদককে জানান। আর এটা হলে বাজারের অনেকটা ভোগান্তি লাগব হবে বলে মনে করেন অনেক ক্রেতা সাধারণ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় এতদিন ধরে অবহেলা আর সুনজরের অভাবে নষ্ট হওয়ার পথে সরকারি বাজার সেডঘরটি কি জনস্বার্থে কাজে লাগবে না কি বেহাত অবস্থায় তিলে তিলে ধংশ হবে প্রায় ১৮ লক্ষাধিক টাকার সরকারি এই সম্পদ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..