× Banner
সর্বশেষ
শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী, ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে আলোচনা স্বামীকে বাঁচাতে পানিতে নববধূর ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি – শ্রম মন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে মাল্টা বাগান পাহারা দিতে গিয়ে চোরের হাতে মালিক খুন

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
চোরের হাতে মালিক খুন

ঝিনাইদহে মাল্টা বাগান পাহারা দেওয়ার সময় চোরের হাতে মাল্টা বাগানের মালিক মনু পাঠান নামে একজন খুন হয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে  রবিবার(২১আগষ্ট) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে  সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের  বাটিকাডাঙ্গা  গ্রামের এক মাল্টা বাগানে  এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত কৃষক মনু পাঠান বাটিকা গ্রামের বাসিন্দা। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সোহেল রানা  খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন জানান, রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মাল্টা বাগান পাহারা দিতে যান তিনিসহ স্বামী মনু পাঠান । রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মুখে কাপড় দিয়ে দুই চোর বাগানে ঢুকে পড়ে। তখন চোরদের দেখে ধাওয়া করেন।ধাওয়া খেয়ে এক চোর বাগানের বেড়া টপকে পালিয়ে যায়। অন্যজনকে ঝাপটে ধরেন স্বামী  মনু পাঠান।
এ সময় চোর মনু পাঠানের মাথায় আঘাত করে। সিমেন্টের খুঁটির ওপর গিয়ে পড়ে  ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। স্ত্রী হালিমা খাতুন ও নাতনি তুলির চিৎকারে প্রতিবেশীরা বাগানে ছুটে এসে মনু পাঠানের লাশ উদ্ধার করে।
সদর থানার ওসি সোহেল রানা রাতেই ঘটনাস্থল পরির্দশন শেষে জানান, নিহত ব্যক্তি এলাকার একজন হতদরিদ্র কৃষক। অজ্ঞাত চোরেরা হত্যা করেছে তাকে। পুলিশ হত্যাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। চলতি বছর প্রথম ২৫ শতক নিজস্ব জমিতে মাল্টা বাগান করেছিলেন নিহত মনু।
চোরের উপদ্রব থেকে বাগানের মাল্টা রক্ষার জন্য স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি রাতেই পাহারায় যেতেন তিনি। হাতে থাকতো একটি লাঠি। মাঝে মাঝে ছোট ছেলে তুহিন ও নাতনি তুলিও থাকতেন তার সঙ্গে। বাড়ি থেকে বাগানের দুরত্ব অনুমান আধা কিলোমিটার। মনু পাঠানের দুই ছেলে দুই মেয়ে। বড় ছেলে শাহিন থাকেন প্রবাসে। তার মৃত্যুতে পরিবারে চলছে শোকের মাতম।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..