× Banner
সর্বশেষ
হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাত ; হাসিনার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যে কথা হলো উপদেষ্টার শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ৫ আগস্ট ও ১৫ আগস্টকে ঘিরে কোন শঙ্কা নেই-খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মন্ত্রিসভায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন জ্বালানি সংকট নিরসনে ৩ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার অহেতুক প্রকল্প নয়, পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের প্রতিনিধিদলের পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ

চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ে ৮৪ মন্ডপে এবার দুর্গাপুজা অনুষ্টিত হবে

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮

শ্রাবন্তী চৌধুরী কনা, মিরসরাই(চট্টগ্রাম) থেকে : দেশের সনাতনী সম্প্রদায়ের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দূর্গা পূজা উপলক্ষে সনাতনী সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে আন্দনের বন্যা বইতে শুরু করেছে। এরি মধ্যে মৃৎ শিল্পীরা তাদের হাতের কাজ গোছাতে শুরু করেছেন। পূজা মন্ডবের নেতৃবৃন্দ নিচ্ছে চুড়ান্ত প্রস্তুতি। সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রতি বছর বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শারদীয়া দূর্গা পূজা উৎযাপন করা হয়ে থাকে। গত সোমবার মহালয়ার মাধ্যমে দূর্গা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে মূল উৎসব শুরু হবে।

জানা গেছে,মিরসরাইয়ে এবছর ৮৪টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২টি মন্দিরে ঘট পুজা (প্রতিমা বিহীন) হবে। পূজা মন্ডপগুলোতে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। দুইটি থানার অধীনে পূজা মন্ডপগুলোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৮৪টি পূজা মন্ডপের মধ্যে ৪৬টি পূজা মন্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। বাকিগুলো ৩৮টি থাকবে মিরসরাই থানা পুলিশ।

সরেজমিনে বিভিন্ন পুজা মন্ডব ঘুরে দেখা গেছে, মৃৎ শিল্পীদের নির্ঘুম রাত কাটছে। ঠিক সময়ে খাওয়া দাওয়ার করার সময় নেই। রাত দিন শুধু কাজ আর কাজ।

মাদারিপুর জেলার থেকে মিরসরাইয়ের খিল হিঙ্গুলী দূর্গা মন্দিরে প্রতিমার তৈরির করতে আসা মৃৎ শিল্পী গনেশ পাল জানান, এবছর তিনি প্রায় ২০টি প্রতিমা তৈরির অর্ডার নিয়েছেন। ইতিমধ্যে সব কয়টি প্রতিমার মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে রংয়ের কাজ। তবে তার তৈরিকৃত প্রতিমার পরিমাণ চট্টগ্রামে বেশি।

প্রতিমার কারিগররা জানায়, প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় মাটি, খড়, পাট, কাপড়, রং ইত্যাদি। কারিগরের সুনিপুন হাতের কাজ প্রতিমাকে আরো বেশি উজ্জ্বল ও সুন্দর করে। তাই দূর্গা পুজা পরিচালনা পরিষদ সব সময় দক্ষ কারিগর খোঁজে থাকেন।


কারিগর গনেশ পাল আরো জানান, কাজ ও আকার ভেদে একটি প্রতিমা তৈরি করতে ২০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। প্রতিবছর অধির আগ্রহের সাথে শারদীয়া দূর্গা পুজার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সনাতন ধর্মালম্বীরা। পূজা উপলক্ষে প্রতিটি মন্দিরে বাড়তি আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়। এছাড়া থাকে বাড়তি নিরাপত্তা। প্রতিটি বাড়িতে তৈরি করা হয় নারিকেলের নাড়–সহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার।

খিল হিঙ্গুলী পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি রাজু কুমার দে জানান, এবছর তাদের প্রতিমাটি অন্য আদলে গড়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পূজা উৎযাপন কমিটি ও গ্রামের সবার সহযোগীতায় পূজার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। অনুষ্ঠিত হয়েছে একাধিক বৈঠক।

মিরসরাই পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ সরকার জানান, এবছর মিরসরাইয়ে ৮৪টি পূজা মন্ডবে দূর্গা পূজা উৎযাপন উৎযাপন হবে।এছাড়া ২টি মন্ডবে ঘট পূজা হবে। ইতিমধ্যে পূজা উৎযাপন পরিষদ কয়েকটি প্রস্তুতিমূলক সভা সম্পন্ন করেছে।

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল কবির ও জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইফতেখার হাসান দি নিউজের এইপ্রতিবেদককে জানান, মিরসরাই থানার অধীনে ৩৮টি পূজা মন্ডপ রয়েছে ও জোরারগঞ্জের অধীনে রয়েছে ৪৬টি। ইতিমধ্যে উভয় থানায় দুইটি প্রস্তুতি সভা শেষ হয়েছে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসমিন আক্তার কাকলী জানান দি নিউজকে, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা উপলক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা সব ধরনের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন বদ্ধ পরিকর।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..