× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক

ঘোষণার আগেই পাঁচ দলের নাম প্রকাশ: ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক

SDutta
হালনাগাদ: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখনো নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে তার আগেই অন্তত তিনটি দৈনিক পত্রিকায় একই শিরোনামে পাঁচটি দলের নাম প্রকাশিত হয়েছে। এতে কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে ইসির সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নতুন দল নিবন্ধনের প্রসঙ্গ তুললেও কোনো সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু *দৈনিক ডেসটিনি, দৈনিক খবরের কাগজ ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ*—এই তিনটি পত্রিকা একইভাবে খবর প্রকাশ করে জানায়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ পাঁচটি দল নিবন্ধন পাচ্ছে।

অঘোষিত তথ্য প্রকাশে নিবন্ধনের অপেক্ষায় থাকা অন্যান্য দলগুলো বিস্মিত হয়ে পড়ে। তাদের অভিযোগ, কমিশনের ভেতরের একটি বিশেষ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদটি ফাঁস করেছে। এক নিবন্ধনপ্রত্যাশী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যদি আমাদের বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট দলগুলো নিবন্ধন পায় এবং সেই তথ্য আগেই সংবাদমাধ্যমে আসে, তবে স্পষ্টতই এটি ভেতরের যোগসাজশের ইঙ্গিত।”

ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ১৪৩টি দল আবেদন করে। প্রাথমিক যাচাই শেষে ১২১টি দল বাদ পড়ে এবং মাঠপর্যায়ের যাচাই শেষে চূড়ান্ত তালিকায় থাকে ২২টি দল। সেখান থেকে কোনগুলো নিবন্ধন পাবে, তা নির্ভর করছে কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর।

ইসি জানিয়েছে, চলতি মাসের মধ্যেই নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রতীক বরাদ্দসংক্রান্ত বিধিমালা এখনো আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে কমিশন।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বর্তমানে বিদেশ সফরে থাকলেও রাজনৈতিক মহল আশা করছে, দেশে ফিরে তিনি এ ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..