ঢাকা, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই) : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে গাজীপুরের উন্নয়নের জন্য গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন অচিরেই পাস করা হবে। গাজীপুরের উন্নয়নের জন্য আট হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত হয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে তিন হাজার পাঁচশত জনের জনবল নিয়োগের কার্যক্রম চলমান আছে।
মন্ত্রী আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গাজীপুর উন্নয়ন পরিষদ আয়োজিত ‘আধুনিক গাজীপুরের উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় : জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে গাজীপুরে যাতায়াত সহজ করতে বিআরটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এতে প্রয়োজনীয় ফ্লাইওভার, ড্রেনেজ সুবিধাসহ সবকিছু থাকবে। ঢাকা-গাজীপুর সড়কের উপর চাপ কমাতে বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করা হবে। লিংক রোড, বাইপাস সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে যানজট সমস্যার সমাধান করা হবে। সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বনভূমি ও নদী রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক নতুন পদ সৃষ্টি করে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও গাজীপুর উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শামসুন্নহার ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর যুগ্মসচিব মোঃ আনিসুর রহমান, বিআরটিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান খান, ভাওয়াল বদরে আলম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এম এ বারী-সহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গাজীপুর উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক আতাউর রহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ সালাম শান্ত।
গোলটেবিল বৈঠকে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরের সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস জাতীয়ভাবে উদ্যাপন, উক্ত প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক বর্তমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে বীর উপাধিতে ভূষিতকরণ এবং কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার এর নাম মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আ ক ম মোজাম্মেল হকের নামে নামকরণের দাবি জানানো হয়। বক্তাগণ গাজীপুরের পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ, জলাবদ্ধতা, যানজট দূরীকরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে গাজীপুরকে একটি আদর্শ জেলায় পরিণত করার দাবি জানান।





