গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে একটা দেশের যে উন্নতি হয়, যারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে তারা ক্ষমতা থাকলে যে দেশের জন্য উন্নতি হয়, আজ আমরা সেটা প্রমাণ করেছি। বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (অক্টোবর ১৪) বিকেলে রাজধানীর কাওলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতা নিয়ে চলতে চেয়েছিল। জাতির পিতার হত্যাকারীকে ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিল। আর আল বদর, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা বোনকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়েছে, তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল। জিয়াও বসিয়েছিল, এরশাদও, খালেদা জিয়াও। কাজেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এদের কোনো অবদান নেই।
শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা অসুস্থ কিন্তু তার ছেলে কোথায়। মাকে দেখতে আসে না কেনো? আপনারা বিদেশে নিবেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু নেবেটা কে? ছেলেকে তো এসে নিতে হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা করে। এ ঢাকাকে আমি দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছি একমাত্র মানুষের সেবার জন্য। যাতে করে মানুষের সেবা পেতে সুবিধা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেখানে যেখানে রেলগেট সেখানে ওভারপাস করে দেব, যাতে মানুষকে যানজটে কষ্ট করতে না হয়।
গত ৭ অক্টোবর উদ্বোধন হয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল। সেদিন উদ্বোধন উপলক্ষে একটি সুধী সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। তবে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া থাকায় সে সময় সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিবর্তে শনিবার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সকাল থেকে সমাবেশস্থলে আ. লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হন। মিছিল-স্লোগানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।



